• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. কামরুল ইসলাম

গোপনীয়তার নীতিব্যবহারের শর্তাবলিযোগাযোগআমাদের সম্পর্কেআমরাআর্কাইভবিজ্ঞাপন

৯৫ সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ, বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন, ঢাকা ১২১২।

+৮৮০ ৯৬১৩ ৬৭৮৬৭৮

phone+৮৮০ ১৩১৩ ৭৬৭৭৪২

whatsapp+৮৮০ ১৭৭৭ ৭০৭৬০০

info@dhakapost.com

বিজ্ঞাপন

  1. অর্থনীতি

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে কার জন্য কত নতুন মুনাফা

শফিকুল ইসলাম
শফিকুল ইসলাম
৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৭:৩৯
অ+
অ-
সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে কার জন্য কত নতুন মুনাফা

দেশে সাধারণ মানুষের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয় সঞ্চয়পত্র। বিশেষ করে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির অনেকেই সঞ্চয়পত্রের মুনাফার টাকায় সংসারের খরচ চালিয়ে থাকেন।

বিজ্ঞাপন

বর্তমানে সঞ্চয়পত্র কেনা ও মুনাফা উত্তোলনের প্রক্রিয়া ডিজিটাল করা হয়েছে। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের ৭১টি সঞ্চয় ব্যুরো কার্যালয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের সব শাখা, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, ডাকঘর এবং কিছু বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকেও এখন সঞ্চয়পত্র কেনা ও ভাঙানো যায়।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর বর্তমানে মোট ১১টি সঞ্চয় স্কিম চালু রেখেছে। এর মধ্যে রয়েছে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র, দুটি ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক হিসাব, একটি ডাক জীবনবিমা, একটি প্রাইজবন্ড এবং প্রবাসীদের জন্য তিনটি বিশেষ বন্ড। প্রতিটি স্কিমে বিনিয়োগের বিপরীতে মুনাফার হার ভিন্ন। তবে শুধু মুনাফার হার নয়, উৎসে কর কর্তনের হারও স্কিম অনুযায়ী ভিন্ন হয়। অর্থাৎ বিনিয়োগের ধরন ও বিনিয়োগকারীর কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) থাক বা না থাক, তার ওপর ভিত্তি করেই কর কর্তন করা হয়।

সরকার নির্দিষ্ট সময় পরপর সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পর্যালোচনা করে। তাই কারা কোন স্কিমে বিনিয়োগ করছেন, কী পরিমাণ মুনাফা পাবেন এবং কর কত কাটা হবে— এসব বুঝে বিনিয়োগ করাই যুক্তিযুক্ত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সবশেষ চলতি অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার কমিয়েছে সরকার। নতুন এই হার আগামী ছয় মাস অর্থাৎ চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

বিজ্ঞাপন

নতুন হার অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ, আর সর্বনিম্ন সুদহার হবে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ।

এ ছাড়া, নতুন নিয়মে বিনিয়োগের পরিমাণের ভিত্তিতে মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। যাদের বিনিয়োগ কম, তারা তুলনামূলকভাবে বেশি মুনাফা পাবেন। আর যাদের বিনিয়োগ বেশি, তাদের ক্ষেত্রে সুদের হার অপেক্ষাকৃত কম হবে।

সঞ্চয়পত্রে মুনাফার নতুন হারে বিনিয়োগ সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগকে ‘ছোট বিনিয়োগ’ হিসেবে ধরা হবে বলে নির্ধারিত হয়েছে। অর্থাৎ, কোনো বিনিয়োগকারীর সঞ্চয়পত্রে মোট বিনিয়োগ যদি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম হয়, তবে তিনি তুলনামূলকভাবে বেশি মুনাফা পাবেন। অন্যদিকে, যাদের বিনিয়োগ এই সীমার বেশি, তাদের জন্য মুনাফার হার কিছুটা কম রাখা হয়েছে। এ ছাড়া, ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে উৎসে কর ৫ শতাংশ, তার বেশি বিনিয়োগে গুনতে হবে ১০ শতাংশ উৎসে কর।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

সঞ্চয়পত্রের টাকার উপর কি জাকাত ফরজ?
সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে ভাটা

১৯৭৭ সালে প্রথম পাঁচ বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্র প্রবর্তন করে সরকার। পরে আরও তিনটি— তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র ও পরিবার সঞ্চয়পত্র প্রবর্তন করা হয়। চার ধরনের সঞ্চয়পত্রে সবচেয়ে বেশি সুদ পেনশনার সঞ্চয়পত্রে। এরপর পরিবার সঞ্চয়পত্র। এছাড়া পাঁচ বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্র ও তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।

পেনশনার সঞ্চয়পত্র

পেনশনার সঞ্চয়পত্রে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগ করলে পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষে মুনাফা পাওয়া যাবে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ হারে। আর বেশি বিনিয়োগকারীরা পাবেন ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ হারে মুনাফা।

পেনশনার সঞ্চয়পত্রে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারী, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য এবং মৃত চাকরিজীবীর পারিবারিক পেনশন সুবিধাভোগী স্বামী, স্ত্রী ও সন্তান এতে বিনিয়োগ করতে পারেন।

পরিবার সঞ্চয়পত্র

সঞ্চয়পত্রের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্র। পেনশনার সঞ্চয়পত্রের পর বেশি সুদ পরিবার সঞ্চয়পত্রে। এই সঞ্চয়পত্রে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগ করলে পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষে মুনাফা পাওয়া যাবে ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ হারে। আর বেশি বিনিয়োগকারীরা পাবেন ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ হারে মুনাফা।

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগ করলে মুনাফা মিলবে ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ, আর বেশি বিনিয়োগে এই হার হবে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ।

তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র

তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে কম বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফা হবে ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ, আর বেশি বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

এ ছাড়া, ডাকঘর সঞ্চয়ে ব্যাংকের তিন বছর মেয়াদি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচে বিনিয়োগ করলে মুনাফা পাওয়া যাবে ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ হারে, আর বেশি বিনিয়োগে পাওয়া যাবে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

সরকার নির্ধারিত এই নতুন হার আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এরপর পরিস্থিতি বিবেচনায় তা আবার পরিবর্তন করা হতে পারে।

এদিকে সঞ্চয়পত্র  ছাড়াও প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য তিন ধরনের বন্ড রয়েছে। সবচেয়ে বেশি ১২ শতাংশ মুনাফা ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে। এটি পাঁচ বছর মেয়াদি। এখানে ৬ মাস অন্তর মুনাফা তোলার সুযোগ রয়েছে। ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড তিন বছর মেয়াদি। এর মুনাফার হার সাড়ে ৬ শতাংশ। প্রবাসীদের জন্য আরেকটি বন্ড রয়েছে, যার নাম ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড। তিন বছর মেয়াদি এই বন্ডে মুনাফার হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। তিনটিরই বিনিয়োগের বিপরীতে পাওয়া মুনাফা করমুক্ত।

ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাকি দুই বন্ডে অবশ্য কোনো সীমা নেই। অর্থাৎ যত খুশি অর্থ বিনিয়োগ করতে পারবেন প্রবাসীরা। এসব বন্ড দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকের এডি শাখা, বিদেশে থাকা বাংলাদেশের ব্যাংকের শাখা, এক্সচেঞ্জ হাউস ও এক্সচেঞ্জ কোম্পানি থেকে কেনা যায়।

এসআই/এমজে

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

বাংলাদেশ ব্যাংকসঞ্চয়পত্র

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হলেন ইমতিয়াজ আহমদ

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হলেন ইমতিয়াজ আহমদ

৩ হাজার কোটি টাকার তহবিল ও গৃহঋণে সিঙ্গেল ডিজিট সুদ চান আবাসন ব্যবসায়ীরা

৩ হাজার কোটি টাকার তহবিল ও গৃহঋণে সিঙ্গেল ডিজিট সুদ চান আবাসন ব্যবসায়ীরা

ঈদের আগে ছুটিতে দুদিন পোশাক শিল্প এলাকায় খোলা থাকবে ব্যাংক

ঈদের আগে ছুটিতে দুদিন পোশাক শিল্প এলাকায় খোলা থাকবে ব্যাংক

ঈদে সাধারণ নাগরিকদের নতুন নোট দিচ্ছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ঈদে সাধারণ নাগরিকদের নতুন নোট দিচ্ছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক