Abed Khan

আবেদ খান

সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক জাগরণ

আবেদ খান। প্রথিতযশা সাংবাদিক, সম্পাদক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার জন্ম ১৬ এপ্রিল ১৯৪৫। রসুলপুর, খুলনা।

পিতা : আব্দুল হাকিম খান, মাতা : আজরা খানম।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ১৯৬২ সালে আবেদ খানের সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি। দৈনিক জেহাদ-এ। ১৯৬৩ সালে তিনি দৈনিক সংবাদ-এ যুক্ত হন। ১৯৬৪ সালে যোগদান করেন দৈনিক ইত্তেফাক-এ। সেই সময় তিনি শুরু করেন এক দীর্ঘ কর্ম সাধনাময় অধ্যায়।

ইত্তেফাক-এ তিনি পর্যায়ক্রমে শিফট-ইনচার্জ, প্রধান প্রতিবেদক, সহকারী সম্পাদক ও কলামিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৯ সাল থেকে তিনি দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের ৩০ জুনে কালের কণ্ঠ থেকে পদত্যাগের পর তিনি ২০১২ সালের জুন মাসে এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন। ২০১৩ সালের এপ্রিলে তিনি এটিএন নিউজ থেকে পদত্যাগ করেন। বর্তমানে তিনি দৈনিক জাগরণ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক।

তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে অভাজনের নিবেদন, গৌড়ানন্দ কবি ভনে শুনে পুণ্যবান, কালের কণ্ঠ, প্রসঙ্গ রাজনীতি, হারানো হিয়ার নিকুঞ্জপথে (গল্প সংকলন), আনলো বয়ে কোন বারতা, বলেই যাবো মনের কথা, গৌড়ানন্দসমগ্র, অনেক কথা বলার আছে, দেশ কি জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্য হবে, ও রাজকন্যে তোমার জন্য, স্বপ্ন এলো সোনার দেশে, আমাদের টুকুনবাবু, ষড়যন্ত্রের জালে বিপন্ন রাজনীতি (প্রথম খণ্ড) উল্লেখযোগ্য।

তিনি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বের সাথে অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের গণমাধ্যম সংস্কৃতিতে সুদীর্ঘকাল যাবৎ অনবদ্য অবদান রেখে আসছেন।

সাহিত্য, সংস্কৃতি, সামাজিক কর্মকাণ্ডসহ নানা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি একাধিক সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হন।

২০০৪ সালে রাষ্ট্রপতি প্রদত্ত স্বর্ণপদক এবং ২০০৯ সালে জেলা প্রশাসক বিজয় দিবস পদক (রাষ্ট্রপতি প্রদত্ত) অর্জন করেন।

আমার পদ্মা আমার জয় বাংলা

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাচীন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনায় ঋদ্ধ একটা সংগঠন হলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ...

‘আমি কি ভুলিতে পারি?’

আমি এই বয়সে আপনাকে আর হারাতে পারব না। কিছুতেই হারাতে পারব না প্রিয় গাফ্‌ফার ভাই। আর অমর গানের মতোই বলতে চাই—আমি কি (আপনাকে) ভুলিতে পারি?...