Mahmudul Hasan Bappy

মাহমুদুল হাসান বাপ্পি

সহ-সম্পাদক

শৈশব থেকেই ক্রিকেট, ফুটবল আর খেলার সঙ্গে বেড়ে উঠা। সাদা-কালো টিভিতে ৯-১০ বছর বয়সে টেস্ট দেখতে দেখতে প্রেমে পড়া ক্রিকেটের। কৈশোরে আবিষ্কার করেন নিজের আরেক শক্তির জায়গা লেখালেখির।

শৈশব আর কৈশোরের দুই প্রেমকে এক করে স্নাতক প্রথম বর্ষে থাকতে মাত্র ১৯ বছর বয়সে ক্রীড়া সাংবাদিকতায় আসা। ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে জাগোনিউজ২৪ডটকমে-এ কন্ট্রিবিউটর হিসেবে শুরু, এরপর দৈনিক জাগরণ, ক্রিকফ্রেঞ্জি হয়ে ঢাকাপোস্টডটকমে কর্মরত আছেন ১ ডিসেম্বর ২০২০ থেকে।

ক্রিকেট, ফুটবল নিয়ে লেখার সঙ্গে সাহিত্যেরও মনোযোগী পাঠক। নিজেও চেষ্টা করেন ক্রীড়াঙ্গনের বাইরে লেখালেখি করতে। সাহিত্য নিয়ে লেখালেখিতে আরও অগ্রসর হওয়ার ইচ্ছে আছে। স্নাতকও করেছেন বাংলা সাহিত্যে, সরকারি তিতুমীর কলেজে।

পরের বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে সেমিফাইনালে নিয়ে যেতে চাই

প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে ইতিহাস গড়েছেন বাংলাদেশের মেয়েরা। পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়েছে, বেশ কয়েকটি ম্যাচে দারুণ লড়াই করেছে ম্যাচের শেষ অবধি। ব্যাট হাতে...

জন হার্ডম্যান : একজন স্বপ্নবাজের গল্প

গল্পটা একজন স্বপ্নবাজের। ‘বামন হয়ে চাঁদে হাত দেওয়ার’ মতো আপাত অবাস্তব এক স্বপ্নবাজ তিনি। লোকটা বিশ্বাস করেন, ‘ভালো হতে হবে সব জায়গায়।’ বিশ্বাসের থলিতে তিনি আরও

শ্রদ্ধা, আবেগ, ভালোবাসায় জাদুকরকে বিদায়

মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। এর মধ্যে সাদা আলো জ্বলে উঠছে প্রায়ই। কিন্তু অন্ধকারের সঙ্গে পাল্লা দিতে...

২০ লাখের আয়ুশ যেভাবে আইপিএলে নজর কাড়লেন

‘তুমি আমার খুঁজে বের করা প্রতিভাগুলোর যত্ম নিতে পারো না’ মজা করেই আতুল ওয়াসেনকে কথাটা বলেছিলেন রাহুল দ্রাবিড়।

বিশ্বকাপে মেয়েদের প্রথম জয়

ম্যাচের তখনও তিন ওভার বাকি। টিভি পর্দায় দেখা গেল লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে। নিউজিল্যান্ডে ওড়া ওই পতাকা যে বাংলাদেশের...

‘ক্রিকেটিং জিনিয়াস’ শেন ওয়ার্ন সমীপে

চাঁদমুখো এক ছেলে দাঁড়িয়ে আছেন এসসিজির মাঝখানে। সামনে বাইশ গজের একটা ক্রিজ, তার থেকে হাত দুয়েক দূরে। মাথায় ঝাঁকড়া চুল, জিঙ্ক ক্রিমে নাক ঢাকা, হাতে তার বল। এক হাত থেকে নিজের অন্য হাতে বল নিচ্ছেন।

জাদুকর শেন ওয়ার্নের নিজেকে জানানো সাক্ষাৎকার

জাদুকর, কতজনকেই তো বলা হয়। কিন্তু শেন ওয়ার্ন; আলাদা। বল হাতে জাদুটা তিনি সত্যিই জানতেন। বোল্ড হয়ে যাওয়ার পর ব্যাট্সম্যানদের অবিশ্বাস্য চোখজোড়া যার সাক্ষী দিয়ে যাবে অনন্তকাল। এই জাদু তিনি কোথায় শিখেছেন? ওয়ার্ন বলেছিলেন, ঈশ্বর প্রদত্ত প্রতিভা তো ছিলই। সঙ্গে তিনি আরেকটা কাজ পারতেন- লক্ষ্য পূরণের আগ অবধি বল ছুঁড়ে যাও, সময় তাতে যতক্ষণই লাগুক।

সেঞ্চুরির আফসোস না করলেও পারেন লিটন

মুগ্ধতা তার ব্যাটে আগেও ছিল, স্বপ্নেরা আঁকিবুঁকি খেলতো তার শটে। এমন একজন ব্যাটসম্যান বাংলাদেশের! পড়া হতো এমন বিস্ময়েও। কিন্তু সেটা যে দীর্ঘস্থায়ী হতো না, এটাই ছিল সমস্যা। লিটন দাস যদি এই সমস্যা জিইয়েই রাখবেন, তাহলে আর তিনি ‘ক্লাসিক দাস’ হবেন কী করে!

তিনিই কোহলি : পুরোনো সাক্ষাৎকার তাকে চেনাবে নতুন করে

এই সাক্ষাৎকার যখন অনুবাদ শুরু করি, কোহলি তার কিছুক্ষণ আগেই শূন্য রানে সাজঘরে ফিরেছেন। এমন একটা সময়ে, যখন তার লাখো ভক্ত অপেক্ষায় ৭১তম সেঞ্চুরির। কোহলি আরও একবার মাথা নিচু করে সাজঘরের পথ ধরছেন। কবে তিনি ৭১তম সেঞ্চুরি পাবেন? এটা বোধ হয় এখন ক্রিকেটের সবচেয়ে অজানা চর্চিত প্রশ্ন। 

হকি, টেনিস, গলফ পাওয়ার হিটিংয়ে সাহায্য করেছে

২৫ বলেই হাঁকিয়েছিলেন সেঞ্চুরি। ওই ইনিংসে ছয় বলে ছিল ছয় ছক্কা।

বাংলাদেশের ক্রিকেট ঠিক পথে আছে কি না? ‘নো কমেন্ট’

‘আই মুভড অন ফ্রম বাংলাদেশ’ মুঠোফোনে সাক্ষাৎকার নিতে চাওয়ার পর তার বার্তাটা ছিল এমন। অনুরোধের পর অবশ্য কথা বলেছেন অনেক্ষণ।

টি-টোয়েন্টিতে লিটনের ভালো না করার কারণ নেই

শেষবার দায়িত্বে ছিলেন সাউথ অস্ট্রেলিয়ার হেড কোচ হিসেবে। দল পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকায় হয়েছিলেন বরখাস্ত। তবুও জেমি সিডন্স মনে করেন তার এখনও সামর্থ্য আছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার, বিশেষত জাতীয় দলের জন্য ব্যাটসম্যানদের তৈরিতে। লিটন দাসের ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ সিডন্স টি-টোয়েন্টি বা সাদা বলের ক্রিকেটে তার ভালো না করার কোনো কারণ দেখেন না। 

গল্পটা দিয়ার জেদের, ‘ডাক্তার না, আরচ্যার হতে চাওয়ার’

দিয়ার গল্পের শুরুটা নীলফামারীতে। আরচ্যারির ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রামের ট্রায়ালে দাঁড়িয়েছিলেন, কোনোকিছু না দেখেই বাদ দেওয়া হয়েছিল তাকে। এরপর জেদ ধরেছিলেন। সেই জেদ তাকে করেছে দেশের আরচ্যারির বড় তারকাদের একজন। তির-ধনুকের সঙ্গে সন্ধি করা মেয়ে শুনিয়েছেন নিজের জেদের গল্প।

‘মডার্ন ক্রিকেটারদের’ সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প, হাফিজের সেই সাক্ষাৎকার

মোহাম্মদ হাফিজ সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন গেল বছরের ফেব্রুয়ারিতে। কিন্তু এটিকে সময়ের সীমানার গণ্ডিতে আবদ্ধ করে রাখা এক ধরনের অন্যায়। ৪০-পেরিয়েও এখনও কীভাবে ‘তরুণ’। ‘মর্ডান ক্রিকেটারদের’ সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে টিকে আছেন কী করে। নিজেকে ভেঙে নতুন করে বারবার গড়ার গল্প। 

অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের অপেক্ষা শেষের বছর ‘নিরামিষ’ অ্যাশেজ

বিশ্বকাপ...টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। ২০২১ সালের ‍দুই বড় টুর্নামেন্ট। দুই স্বপ্ন পূরণের গল্প। অপেক্ষা শেষের আনন্দ।

বেঁচে থাকার লড়াইয়ের এক ভোর

রাত তিনটা। সুগন্ধা অপেক্ষায় কুয়াশায় ঢাকা শীতের ভোরের। কাঁথা মুড়ি দিয়ে অনেকে গভীর ঘুমের দেশে। কে জানে, স্বপ্ন তাদের কতটা রঙিন! জেগে থাকারা কুয়াশা ভেদ করা সোনালী রৌদ্দুর দেখার অপেক্ষায়। প্রিয়জনের মুখটাও নিশ্চয়ই ভেসে উঠছে কল্পনায়। ১০ ঘণ্টার যাত্রার শেষদিকে লঞ্চ, গন্তব্য তো খানিকটা দূর।

অশ্বিন : ‘ক্রিকেট বিজ্ঞানীর’ সাক্ষাৎকারটি আপনাকে নতুন করে ভাবাবে

প্রায় সাত হাজার শব্দের এক বিশাল সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন রবীচন্দ্রন অশ্বিন। বাংলা অনুবাদে শব্দ সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে পাঁচ হাজার। অশ্বিন বলেছেন নিজের ছিটকে পড়ার কথা, মানসিক যন্ত্রণার কথা, কীভাবে শিকার হয়েছিলেন ব্যক্তিগত আক্রোশের শুনিয়েছেন সেসবও। কীভাবে তিনি ক্রিকেটটা দেখেন, তার প্রস্তুতির ধরণ কী, এসব জানলে আপনি খেলাটাকে যেন চিনবেন নতুন করে।

সেই কার্ডিফ, একটি ছক্কা ও ‘তরতাজা’ এক জয়

ছয় বলে দরকার ৭ রান। জিসেন গিলেস্পি মাথায় হ্যাড ব্যান্ড বেঁধে দৌড়ে এলেন তখন। বল করলেন, আফতাব সেটাকে আঁচড়ে ফেললেন সীমানার ওপাড়ে, উড়িয়ে। পরের বলটা কিপারের হাতে। দৌড় দিয়ে ফেললেন মোহাম্মদ রফিক। দৌড়ালেন আফতাব আহমেদও। স্টাম্পটা ভাঙতে পারলেন না অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। 

রোমাঞ্চের অ্যাশেজে ‘আসল’ ক্রিকেটের গন্ধ

ছাই ভস্ম হয়ে যায় কোথাও। অথবা একদমই অকেঁজো। দাঁতের মাজন কিংবা বড়জোর ধানক্ষেতে ছিটিয়ে দেওয়ার মধ্যেই কাজ শেষ। অস্ট্রেলিয়া বা ইংল্যান্ডে হলে অবশ্য ব্যাপারটা ভিন্ন। ‘অ্যাশেজ’ হয়ে ওঠে সেখানে। কখনও কখনও হয়ে ওঠে বিশ্বকাপের চেয়েও বড় কিছু!

নেপলস অথবা বুয়েন্স আয়ার্স- ম্যারাডোনা কি সত্যিই নেই?

হাত দুটো তার বুকে তখন। দুই হাত বুকে জড়িয়ে উচ্ছ্বাসে ভেসে যাচ্ছেন। চোখেমুখে তার স্পষ্ট ছাপ...