Dhaka Post

ঢাকা রোববার, ২৩ জানুয়ারি ২০২২

Sangeeta Imam

সঙ্গীতা ইমাম

সংস্কৃতিকর্মী

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য লড়াই করছেন রাজপথ ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। পড়াশোনা ও শিক্ষকতা সূত্রে ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের সঙ্গে তার সম্পর্ক দীর্ঘ চল্লিশ বছরের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই সাংস্কৃতিক নানা অঙ্গনে ভূমিকা পালন করেন। কাজ করেছেন ডাকসুর সাংস্কৃতিক দলে। বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করছেন সংস্কৃতিকর্মী হিসেবে। ২০১৩ সালে মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি এবং জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের দাবিতে গড়ে ওঠা শাহবাগ আন্দোলনে উদীচীর কর্মী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন।

শিশু সাহিত্য ও শিশু মনস্তত্ত্ব নিয়ে কাজ করছেন বেশ কয়েক বছর ধরে।

প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৬ টি।

বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন

জিয়াউর রহমানের পথ ধরে স্বৈরশাসক এরশাদের শাসনামলে সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করা হলো, অর্থাৎ জাতিগত সংস্কৃতি বিকাশের পথ ও বহুত্ববাদের দর্শন আরও সংকুচিত হয়ে গেল...

নারী নির্যাতন প্রতিরোধ এবং আমাদের মানসিকতা

অধিকাংশ সময়েই আমরা দেখি, নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার প্রশ্নে নানা ধরনের প্রশাসনিক টালবাহানা তৈরি হয়...

তুমি অকুণ্ঠিতা

অসুর দমনে নারীশক্তির যে উদ্বোধন মন্ত্র উচ্চারিত হয় দুর্গাপূজায়, তার সঙ্গে আন্তর্জাতিক কন্যা দিবসের সুর এবার যেন মিলেমিশে গেছে..

তালেবানদের উত্থান ও সাংস্কৃতিক হিমঘর

নব্বইয়ের দশকে তালেবান শাসনের সময় নারীদের শিক্ষা বা কাজে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ ছিল...

ফকির আলমগীর: গণসংগীত যার সম্বল

ঊনসত্তরের গণ অভ্যুত্থান থেকে গণজাগরণ মঞ্চ বা তৎপরবর্তী যেকোনো আন্দোলন সংগ্রামে তিনি ছিলেন রাজপথে, মানুষের সাথে...

সাংস্কৃতিক আন্দোলন ও জাতীয় বাজেট

সাংস্কৃতিক আন্দোলন যেখানে একটি চলমান প্রক্রিয়া, সেখানে আমরা দিনব্যাপী কয়েকটি পরিবেশনা আর আলোচনা অনুষ্ঠানের মধ্যেই বিষয়টিকে সীমাবদ্ধ রেখেছি...

বিজয়ের শক্তি সংস্কৃতি

অভিনয়শিল্পী চঞ্চল চৌধুরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মায়ের সঙ্গে একটি ছবি আপলোড করেছে। আপলোড করা সেই ছবিতে কুৎসিত বর্বরোচিত মন্তব্য শুরু করে একশ্রেণির ধর্মান্ধগোষ্ঠী...

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাংলাদেশ

‘জনাব স্পিকার সাহেব, আজ স্বাধীনতা আমরা পেয়েছি, এর সঙ্গে সঙ্গে আমি চারটি স্তম্ভকে স্মরণ করতে চাই, যে স্তম্ভকে সামনে রেখে আমাদের দেশের সংবিধান তৈরি করতে হবে। জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।