Shanta Tawhida

শান্তা তাওহিদা

চেয়ারপারসন, কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

শান্তা তাওহিদার জন্ম ১৯৮৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, নরসিংদী জেলায়। শৈশব ও স্কুল জীবন কেটেছে নরসিংদী শহরে।

তার বাবা মো. তৌহিদুজ্জামান ও মা শাহীনুজ্জামান। বাবার উৎসাহে ছেলেবেলা থেকেই বিতর্ক, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, উপস্থাপনাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলেন।

বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নিয়মিত শিল্পী ছিলেন। স্কুলে থাকা অবস্থায় অর্জন করেছেন জাতীয় শিশু পুরস্কার। স্বেচ্ছাসেবী, প্রশিক্ষক ও সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে।

তিনি অটিজম, ডাউন সিনড্রোম, সেরিব্রাল পালসি ইত্যাদি বিশেষ শিশুদের জন্য ভাষিক যোগাযোগ নিয়ে কাজ করেন। শিক্ষকতা ছাড়াও তিনি একজন অটিজম বিশেষজ্ঞ। ২০০৯ সাল থেকে অটিজম আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে গবেষণা করছেন এবং বিভিন্ন স্বীকৃত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে বেশ কয়েকটি গবেষণা পত্র প্রকাশ করেছেন। জার্মানি, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, তুরস্ক, চেক রিপাবলিক, ভারত, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি গবেষণা পত্র উপস্থাপন করেছেন।

২০১২ সালে মেধার স্বীকৃতিসরূপ তিনি ডিন পদক নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ভাষাবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। এরপর জার্মান সরকারের বৃত্তি নিয়ে ২০১৭ সালে কগনিটিভ সায়েন্স নিয়ে দ্বিতীয় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

২০১৩ সালে ভাষাবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০১৫ সালে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে নব প্রতিষ্ঠিত কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি এই বিভাগের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আত্মহত্যা নয়, বেঁচে থাকাই জীবন

বিষণ্নতায় পর্যবসিত হলে মানুষ যেন তা নিজের মধ্যে লুকিয়ে না রেখে অভিজ্ঞদের সাহায্য নেয় তার জন্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে....

শিশুর মানসিক বিকাশে আমরা কী করছি?

উন্নত বিশ্বের তথা ইউরোপ বা আমেরিকার দিকে তাকালে দেখা যাবে তাদের পরিকল্পনার একটা বড় অংশ থাকে শিশুদের শিক্ষা, বিনোদন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চা নিয়ে। সে তুলনায় শিশুদের নিয়ে আমরা অনেক উদাসীন..

মেটাজগতে বন্দি শিশুর শৈশব

আপনি যতই কাজে ব্যস্ত থাকুন না কেন প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় আপনার সন্তানের সাথে গল্প করার সময় বের করে নিন। প্রযুক্তির সুবিধা-অসুবিধা দুটোই সন্তানকে ভালো করে বুঝিয়ে বলুন...

মীনার জন্য ভালোবাসা

আমরা যখন জাতিকে সামাজিক দূরত্ব বোঝতে হিমশিম খাচ্ছি তখন মীনা এলো বোঝাতে-‘সামাজিক দূরত্ব মানে শারীরিক দূরত্ব’...

বেঁচে থাকাটাই জীবনের লক্ষ্য, আত্মহত্যা নয়

পৃথিবী জুড়ে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী তরুণদের মৃত্যুর দ্বিতীয় কারণ হলো এই আত্মহত্যা...