বিজ্ঞাপন

হজ মৌসুমে ফ্লাইট বাতিল ছাড়াই অপারেশন শেষ করল বিমান

হজ মৌসুমে ফ্লাইট বাতিল ছাড়াই অপারেশন শেষ করল বিমান

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সফলভাবে তাদের ২০২৬ সালের পোস্ট-হজ (হজ পরবর্তী) ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। গত ৩০ মে থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত পরিচালিত এই কার্যক্রমে হজের জন্য পরিচালিত ১০৪টি পোস্ট-হজ ফ্লাইটে মোট ৩২ হাজার ২৫৬ জন হাজিকে নিরাপদে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি জানান, একই সময়ে পরিচালিত ১২টি নিয়মিত ফ্লাইটে আরও ২ হাজার ২০৮ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। ফলে পোস্ট-হজ কার্যক্রমে মোট ৩৪ হাজার ৪৬৪ জন হাজি নিরাপদে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন।

২০২৬ সালের সম্পূর্ণ হজ মৌসুমে (১৮ এপ্রিল থেকে ১ জুলাই) বিমান নিজস্ব সক্ষমতা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সফলভাবে হজ ফ্লাইট পরিচালনা করেছে, যা জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থার পরিচালনাগত সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

পোস্ট-হজ কার্যক্রমের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো তুলে ধরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৬ সালের হজ কার্যক্রমে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স মাত্র ৩৬টি ডেডিকেটেড চার্টার্ড ফ্লাইট এবং ১৬৮টি নিয়মিত ফ্লাইটের সমন্বয়ে সম্পূর্ণ অপারেশন পরিচালনা করেছে। এর ফলে অতিরিক্ত ১,৩০০ টনের বেশি কার্গো এবং প্রায় ২৩ হাজার ৫০০ জন সাধারণ যাত্রী পরিবহন সম্ভব হয়েছে।

একই সঙ্গে পুরো হজ মৌসুমে কোনো উল্লেখযোগ্য ফ্লাইট বাতিল বা কাঠামোগত সময়সূচি পরিবর্তন ছাড়াই লন্ডন, কুয়ালালামপুর এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক রুটে বিমানের নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট নেটওয়ার্কের ধারাবাহিকতা ও অখণ্ডতা সফলভাবে বজায় রাখা হয়েছে।

এছাড়া নিজস্ব হজযাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি বিমান ঢাকা বিমানবন্দরে সৌদিয়া এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও যাত্রীসেবা প্রদানকারী এজেন্ট হিসেবেও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞ অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন করার পেছনে প্রতিষ্ঠানের এক হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিষ্ঠা, দক্ষতা, সুপরিকল্পিত সমন্বয় এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নিবিড় তত্ত্বাবধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এ সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে দীর্ঘদিনের হজ মৌসুমের চিরচেনা সমস্যা- যেমন দীর্ঘ ফ্লাইট বিলম্ব বা মালপত্র জট-এবার কার্যত দেখা যায়নি।

এএসএস/এসএম