জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মশাল মিছিলে ছাত্রলীগের বাধা

Dhaka Post Desk

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

ঢাবি

০৬ আগস্ট ২০২২, ০৩:১৪ এএম


জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মশাল মিছিলে ছাত্রলীগের বাধা

ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের করা মশাল মিছিলে বাধা দিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার (৬ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে মিছিল শুরু হয়ে আশপাশের এলাকা প্রদক্ষিণ করে আবার রাজু ভাস্কর্যে সমাবেশ করতে আসে। এসময় মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে ২০-৩০ জন ছাত্রলীগ কর্মী বাইক নিয়ে এসে কর্মসূচিতে বাধা দেন।

ছাত্রলীগের বাধার কারণে পরিষদের নেতাকর্মীরা রাজু ভাস্কর্যে মিছিল পরবর্তী সমাবেশ করতে পারেননি। পরে তারা ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে শহীদ মিনারের দিকে এগুতে থাকলে পেছন থেকে বাইক নিয়ে এগিয়ে এসে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা শহীদ মিনারে অবস্থান নেয়। পরে পরিষদের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সামনে সমাবেশ করে কর্মসূচি শেষ করেন।

আরও পড়ুন: মধ্যরাতে কার্যকর হলো তেলের বাড়তি দাম

সমাবেশে ঢাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি আখতার হোসেন বলেন, আপনারা দেখেছেন সরকারের অপরিণামদর্শিতার কারণে প্রত্যেকটা জ্বালানির মূল্য কয়েক শতাংশ করে বৃদ্ধি হয়েছে। এর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদের মশাল মিছিল কর্মসূচিতে সরকারের পেটোয়া বাহিনী ছাত্রলীগ লুটের টাকায় কেনা জ্বালানি পুড়িয়ে আমাদের উপর হামলার চেষ্টা চালিয়েছে। আমরা দমে যাইনি, দমে যাবও না। আমরা আমাদের এই সংগ্রাম চালিয়ে নেবই।

dhakapost

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেন শান্ত ঢাকা পোস্টকে বলেন, বাধা দেওয়ার মতো এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমরা সবসময়ের মতো বাইক নিয়ে ঘুরছিলাম, আড্ডা দিচ্ছিলাম। ওদের (ছাত্র অধিকার পরিষদ) সঙ্গে আমাদের কোনো কিছু হয়নি।

আরও পড়ুন: অকটেন ১৩৫, পেট্রোল ১৩০ টাকা

ছাত্র অধিকার পরিষদের মশাল মিছিলে পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি তারিকুল ইসলাম, ঢাবি শাখার সভাপতি আখতার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন, সিনিয়র সহ সভাপতি আসিফ মাহমুদ, সাহিত্য সম্পাদক জাহিদ আহসানসহ বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় তারা ‘দাম বাড়ালে জ্বালানি, জনগণ দেবে কেলানি’, ‘দাম বাড়ানো সরকার, আর নাই দরকার’, ‘গরিব মারা সরকার, আর নাই দরকার’, ‘জ্বালানির দাম কমায় দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’, ‘স্বৈরাচারের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

এইচআর/এসএসএইচ

Link copied