লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পে প্রশিক্ষণার্থীর ৩০ শতাংশই নারী

Dhaka Post Desk

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, ঢাবি

০৮ আগস্ট ২০২২, ০৫:৫৩ পিএম


লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পে প্রশিক্ষণার্থীর ৩০ শতাংশই নারী

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পে ৪০ হাজার তরুণকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে যার মধ্যে ৩০ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। শিপাওয়ার প্রকল্পে ১৩ হাজার নারী উদ্যোক্তা তৈরি করেছি। এবার ২৫০ কোটি টাকার হার প্রকল্পের অধীনে আরও ২৫ হাজার নারী উদ্যোক্তা তৈরি করা হচ্ছে। 

সোমবার (৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের উদ্যোগে ‘বঙ্গমাতা : এ প্যারাগন অব উইমেন লিডারশিপ অ্যান্ড ন্যাশন-বিল্ডিং ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আগামী দুই দশক আমরা তারুণ্যের অফুরান শক্তি কাজে লাগাতে ২০০৮ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রযুক্তি নির্ভর মর্যাদাশীল ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের রূপকল্প দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাত্র ১৩ বছরে তার সততা, দূরদর্শিতা ও সাহসী নেতৃত্ব দিয়ে তা পূরণ করেছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের তত্ত্বাবধানে ৪টি শক্তিশালী স্তম্ভের ওপর ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি।

তিনি বলেন, নারীদের সাইবার দুনিয়ায় সুরক্ষিত রাখতে অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আমরা ৩টি বিষয়কে গুরুত্ব দেই। ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সাইবার হাইজিন এবং অ্যাওয়ারনেস ও ডিজিটাল লিটারেসিতে প্রাথমিক ধারণা দেওয়া দরকার। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট করে ইতোমধ্যেই অনেক নারীর সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে পেরেছি। প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে এখন যে কেউ ৩৩৩ কলসেন্টারে ফোন করে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের জন্য অথবা সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কে কোনো একটা পরামর্শ বা কোনো সুপারিশ, বা আইনের আশ্রয় নিতে পারে। ৯৯৯ এ ফোন করে ৫ বছরে ৯ কোটি মানুষ জীবনরক্ষা সেবা গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে আমরা ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টার স্থাপন করেছি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গ্রামীণ তরুণদের আইসিটিতে সংযুক্ত করতে ২০১০ সালে ইউনিয়ন সার্ভিস সেন্টার স্থাপনের সময় একজন ছেলের সঙ্গে মেয়ে উদ্যোক্তা নিয়োগের যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এবার বেকার সমস্যা সমাধানে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে যাওয়া ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের দাম ২০০ টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে। এর ফলে বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষা-প্রশিক্ষণ নিয়ে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে দেশের সাড়ে ৬ লাখ ফ্রিল্যান্সার ঘরে বসেই প্রায় ৫০০ মিলিয়নের বেশি এক্সপোর্ট আর্নিং করছে।

অধ্যাপক ড. তানিয়া হকের সভাপতিত্বে সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এবং জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

এইচআর/আইএসএইচ

Link copied