ঢাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন

Dhaka Post Desk

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

 ঢাবি

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:২৩ পিএম


ঢাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন

‘রিথিংকিং ট্যুরিজম’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ প্রাঙ্গণে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উদ্যোগে এটি উদযাপন করা হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেক কেটে ও পায়রা উড়িয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি র‌্যালি বের করা হয়।

ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সন্তোষ কুমার দেবের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. অলিউল্লাহ, প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. আমিনুর রহমান ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের কো-অর্ডিনেটর ও এক্সিকিউটিভ এমবিএ ড. মো. শরিফুল আলম খন্দকার, হোটেল শেরাটন ঢাকা ও ওয়েস্টিন ঢাকার সিইও সাখাওয়াত হোসাইন ও ট্যুরিজম ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ হাবিব আলী। অনুষ্ঠানের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামশাদ নওরীণ।

সভাপতির বক্তব্যে বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সন্তোষ কুমার দেব বলেন, সারা বিশ্বে আজ যেমন যথাযোগ্য মর্যাদায় এই বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হচ্ছে, ঠিক তেমনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগও এ দিবস উদযাপন করছে। আমরা দেখেছি, করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই পর্যটন শিল্প। আমরা যদি পূর্বের অবস্থানে ফিরতে চাই তাহলে আমাদের নতুনভাবে ভাবতে হবে। এই নতুন ভাবনাটা কী? আমরা বলছি, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার যে লক্ষ্যগুলো রয়েছে তার মধ্যকার ৩টি লক্ষ্যমাত্রা সরাসরি পর্যটন শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত। আমরা এই তিনটি লক্ষ্য বাস্তবায়নে জোর দেওয়ার কথাই বলছি।

ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগকে ধন্যবাদ জানিয়ে ও ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা মোতাবেক কারিকুলাম পুনর্বিন্যাস করার পরামর্শ দিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, আপনাদের কারিকুলামে কিছু ঘাটতি আছে বলে আমার মনে হয়। নানা অনুষঙ্গের সংযোজন ঘটিয়ে কারিকুলাম পুনর্বিন্যাস করা খুব জরুরি। যাতে বাস্তবধর্মী, জীবনমুখী সকল বিষয়ে ধারণা পেয়ে শিক্ষার্থীরা কর্মজীবনে প্রবেশ করে। এটি না করলে 'রিথিংকিং ট্যুরিজম' হবে না। পরিবর্তিত পরিস্থিতি কিভাবে গুণগত মান সম্পন্ন একটি উন্নত পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানো যায় সেটা সম্ভব হবে না যদি না যুগের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের শিক্ষার্থীকে গড়ে তুলতে না পারি।

এইচআর/এসকেডি

Link copied