শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়

নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলী বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে যোগদানের পর থেকেই আমার লক্ষ্য ছিল শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাওয়া। সেই লক্ষ্য নিয়ে যোগদানের পর থেকে কাজ শুরু করি। সকলের প্রচেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকেই দুটি বিষয়ে পাঠদান কার্যক্রমের জন্য আমাদেরকে অনুমোদন দিয়েছে। অত্যাধুনিক শ্রেণিকক্ষ, কম্পিউটার ল্যাবসহ সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদেরকে বরণ করে নিতে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তুত রয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে শহরের বাইপাস সড়কের বরুণকান্দি এলাকায় অবস্থিত নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী একাডেমিক ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে আমাদেরকে হিসাববিজ্ঞান এবং আইন বিভাগে ৪০ জন করে ৮০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যাধুনিক শ্রেণিকক্ষ, আধুনিক সুবিধা সমৃদ্ধ কম্পিউটার ল্যাব এবং আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন পরিচ্ছন্ন এবং রুচিশীল পরিবেশে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে পারে সে ধরনের সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এছাড়া শিক্ষকরা যেন তাদের রুমে বসে পাঠ-পঠন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে সে ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। খুব শিগগিরই মেধাবী, পঠন পাঠনে পারদর্শী এমন শিক্ষকদের বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে। তার মধ্য দিয়ে আগামী দিনে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় একটি ব্যতিক্রম এবং আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে।

তিনি আরও বলেন, গুচ্ছ অধিভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গেই নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গুচ্ছের সর্বশেষ পরীক্ষা ১০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি সম্পন্ন করার পরপরই আশা করি জুনের শুরুতে অথবা জুলাইয়ের আগেই অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম শুরু করতে পারবো।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ আলাউদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁ নামে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম সংশোধন করে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় নামকরণ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম শামীম/আরএআর