আইসিপিসি এশিয়া ওয়েস্ট কন্টিনেন্টাল ফাইনালস ২০২৫ এ এআইইউবির কৃতিত্ব

আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং কনটেস্ট (আইসিপিসি) এশিয়া ওয়েস্ট কন্টিনেন্টাল ফাইনালস ২০২৫-এ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি - বাংলাদেশ (এআইইউবি)।
বিজ্ঞাপন
প্রতিযোগিতায় এআইইউবির দল ‘এআইইউবি মডুলারিটি’ বাংলাদেশে তৃতীয় স্থান এবং সামগ্রিকভাবে ৩৫তম স্থান অর্জন করেছে। এটি আইসিপিসির ইতিহাসে এআইইউবির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।
গত ৭ ও ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি)-এর কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। আইসিপিসি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, যা শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান দক্ষতা ও কম্পিউটিং সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এআইইউবির ‘মডুলারিটি’ দলটি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (এসইউএসটি) এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর পরেই অবস্থান করে।
বিজ্ঞাপন
দলটি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট), চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি) এবং জাহাঙ্গীরনগর, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিসহ দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দলকে পেছনে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।
এআইইউবির এই দলটি ভারতের ২১টি দল এবং পাকিস্তানের অংশগ্রহণকারী সব দলকেও পিছনে ফেলেছে। এর আগে আইসিপিসি ঢাকা আঞ্চলিক অনসাইট প্রতিযোগিতা ২০২৬-এ ‘এআইইউবি মডুলারিটি’ দলটি ২০তম স্থান অর্জন করে এবং এর মাধ্যমে এশিয়া ওয়েস্ট কন্টিনেন্টাল ফাইনালে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করে।
এআইইউবির ‘মডুলারিটি’ দলের সদস্যরা হলেন— ফয়সাল আমিন আবির, শামিন ইয়াসির এবং আহনাফ তানভির তাসিন; তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। দলটিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন এআইইউবির এসিএম আইসিপিসি প্রশিক্ষক ইসরাফিল দিগন্ত এবং আব্দুল্লাহ আল রাওয়াহা অনিক।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া দিকনির্দেশনা প্রদান করেন কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অভিজিৎ ভৌমিক এবং মো. আল-আমিন।
প্রতি বছর আইসিপিসি এশিয়া অঞ্চলের প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে পারস্পরিক যোগাযোগ, বন্ধুত্ব এবং প্রোগ্রামিং দক্ষতার সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ পায়।
এমএসএ