বিজ্ঞাপন

বাকৃবিতে ‘আমার ফ্যাকাল্টিই সেরা’ শীর্ষক রম্য বিতর্ক

অ+
অ-
বাকৃবিতে ‘আমার ফ্যাকাল্টিই সেরা’ শীর্ষক রম্য বিতর্ক

‎বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ‘বাউ সলিডারিটি সোসাইটি’ এর আয়োজনে রম্য বিতর্ক ও বৈশাখী সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে ওই রম্য বিতর্ক উৎসবের আয়োজন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদ থেকে একজন করে শিক্ষার্থী এই বিতর্ক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বিতর্কের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘আমার ফ্যাকাল্টিই সেরা’। রম্যরস ও বিনোদনে ভরা এই বিতর্কে প্রতিটি অনুষদের বিতার্কিকরা অত্যন্ত চাতুর্যের সাথে নিজ নিজ অনুষদের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরেন এবং হাস্যরসের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের যুক্তি খণ্ডন করেন।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক। তিনি বিতার্কিকদের সৃজনশীলতা ও উপস্থাপনার প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

‎এর আগে বিকেলে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। সেখানে ছিল গান ও বই পাঠের আয়োজন। বইপাঠের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের গাছ উপহার প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পয়লা বৈশাখ উপলক্ষ্যে ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের জন্য ভিন্ন রকম বিনোদনের আয়োজন করতেই এমন উদ্যোগ, জানান আয়োজকেরা।

বিজ্ঞাপন

বাউ সলিডারিটির সোসাইটির আহ্বায়ক ছাব্বির হোসেন রিজন বলেন, এই বাংলায় ভাষা ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে ষাটের দশকে সাংস্কৃতিক পটভূমির উত্থান। এরই পথ ধরে বৈশাখ উদযাপন এবং ১৯৬৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় রমনায় যা পরবর্তীতে নাগরিক সমাজে এর পরিধি ঘটায়। তৎকালীন সময়ে এটি ছিল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিবাদও বটে। একটা দেশ বা জনপদের সংস্কৃতি গড়ে উঠে সেই জনপদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আচার ও সংস্কৃতির ওপর। সংস্কৃতি যদি হয় মানুষের সম্মিলিত জীবনবোধের চর্চা তাহলে তা অবশ্যই সবার জন্য গ্রহণযোগ্য ও প্রাপ্য হওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, বৈশাখ উপলক্ষ্যে ক্যাম্পাসে অনেক দর্শনার্থীদের আগমন হয়। পাশাপাশি আমাদের ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের জন্যও ভিন্ন রকম বিনোদনের চিন্তা থেকে আজকের আয়োজন। বাকৃবির শিক্ষার্থীদের কাছে নিজ নিজ অনুষদের শ্রেষ্ঠত্বের দাবি জানিয়ে বছর জুড়ে বন্ধুদের আড্ডার অতি স্বাভাবিক বিতর্কের বিষয় থাকে এটি। আমরা সেটিকে আরও বিনোদনমূলক করে তুলতে চেষ্টা করেছি।

মুসাদ্দিকুল ইসলাম তানভীর/এসএইচএ