শাহ আব্দুল করিম, ফারুক মাহফুজ আনাম জেমস ও ফজলুর রহমান বাবুসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় শিল্পীর গান গেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিব।
সম্প্রতি তার গাওয়া কয়েকটি গান ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। অনেকেই তার গান নিজেদের টাইমলাইনে শেয়ার করে প্রশংসা করছেন।
ঢাবির বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আতিক শাহরিয়ার হামিম অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবের গান শেয়ার করে লিখেছেন, অসাধারণ গায়ক। আমার পছন্দের গান। বিভাগের স্যারের কণ্ঠে অসাধারণ হয়েছে।
আরেক শিক্ষার্থী মানসুর আহমেদ লিখেছেন, সম্প্রতি আপনার (স্যারের) গাওয়া জেমসের ‘পাগলা হাওয়া’ গানটি খুবই সুন্দর হয়েছে। মনোমুগ্ধকর লেগেছে স্যার। আপনার কণ্ঠে টাইটানিক সিনেমার গানটিও শুনতে চাই।
তবে প্রশংসার সঙ্গে সমালোচনার মুখেও পড়েছেন এই ঢাবি অধ্যাপক। বিশেষ করে ভিন্নধর্মী সুরে গান পরিবেশনের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ তাকে নিয়ে ট্রল করছেন।
সমালোচনার জবাবে অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিব বলেন, ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েশনে প্রশংসা ও সমালোচনা দুটিই থাকে। কেউ হাসির ইমোজি দিলেও সেটি কনটেন্টের ভিউ, রিচ ও এনগেজমেন্ট বাড়াতে ভূমিকা রাখে। ট্রলাররাও আমাদের বন্ধু। তারা রিঅ্যাকশন দিচ্ছে, কমেন্ট করছে ফলে কনটেন্টের এনগেজমেন্ট বাড়ছে।
তিনি বলেন, ফেসবুকে তার গানের রিলগুলো হাজার হাজার ভিউ পাচ্ছে। আগে রান্নার রিলসে তুলনামূলক কম ভিউ হলেও গান প্রকাশের পর থেকে দর্শকসংখ্যা বেড়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে ফেসবুক থেকে একাধিক ক্রিয়েটর ব্যাজ পাওয়ার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।
অধ্যাপক জানান, নতুন কোনো কাজ শুরুতে সহজে গ্রহণযোগ্যতা পায় না। তাই সমালোচনায় হতাশ না হয়ে নিজের কাজের মান উন্নত করার প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত।
নিজের কাজের যত্ন নিতে শিখুন। একটি বিষয় গ্রহণ করতে মানুষকে সময় দিন। ভালো-মন্দ বিচার করার দায়িত্ব দর্শকের। কনটেন্ট ক্রিয়েটরের কাজ হলো মানসম্পন্ন কনটেন্ট তৈরি করা।
বর্তমানে তার গান ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে চলছে আলোচনা, প্রশংসা ও হাস্যরস।
এসএআর/আরএফ
