ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)-এর নিজস্ব ক্যাম্পাসে সামার-২০২৬ সেমিস্টারের নবীন শিক্ষার্থীদের পরিচিতি ও ইনিশিয়েশন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পরিচিতি পর্বে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আইইউবিএটির মিশন ও ভিশন, অ্যাকাডেমিক নিয়মকানুন, ক্যারিয়ার সার্ভিস, গ্রন্থাগার ও আইটি সুবিধা, শিক্ষার্থী সংগঠন ও সহশিক্ষা কার্যক্রম, পরিবহন ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন– মাদকাসক্তি প্রতিরোধ সংস্থা (মানস)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী হক চৌধুরী, প্রখ্যাত করপোরেট নেতা ও বিপণন বিশেষজ্ঞ ড. সৈয়দ আলমগীর, ইউনিকো হসপিটালস পিএলসি-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আর্দ্রা কুরিয়েন এবং টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আয়মান সাদিক। অনুষ্ঠানে অ্যালামনাই প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফার্স্ট অফিসার মাশরুফা করিম। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন আইইউবিএটির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস। অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন আইইউবিএটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুর রহমান।
আনুষ্ঠানিক পর্ব শেষে বিভিন্ন বিভাগ ও অনুষদে নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য পরিচিতি ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় বিভাগীয় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও সিনিয়র শিক্ষার্থীরা নবীনদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং তাদের অ্যাকাডেমিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেন।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও কনসার্ট। জনপ্রিয় ব্যান্ড জলের গান-এর বিশেষ পরিবেশনা নবীন শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। প্রাণবন্ত সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সূচনা আনন্দঘন ও স্মরণীয় হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানটি নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, যা তাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতে আত্মবিশ্বাস ও উদ্দীপনা যোগ করবে। পাশাপাশি এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আইইউবিএটিকে পরিবার হিসেবে অনুভব করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে, যেখানে শিক্ষার পাশাপাশি মূল্যবোধ, নেতৃত্ব এবং সামাজিক দায়িত্ববোধও গড়ে তোলা হয়।
বিআরইউ
