বিজ্ঞাপন

শরণার্থী-বাস্তুচ্যুতি সংকট মোকাবিলায় গবেষণা কেন্দ্র চালু করল ডিআইইউ

শরণার্থী-বাস্তুচ্যুতি সংকট মোকাবিলায় গবেষণা কেন্দ্র চালু করল ডিআইইউ

অভিবাসন, শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুতি সংকটের টেকসই সমাধান খুঁজতে গবেষণা ও নীতি-সংলাপের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধীন (ডিআইইউ) সেন্টার ফর মাইগ্রেশন, রিফিউজি অ্যান্ড ডিসপ্লেসমেন্ট (সিএমআরডি)।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন– সিএমআরডির চিফ প্যাট্রন ও ডিআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল আলম, ডিআইইউ-এর বাংলাদেশ সেন্টার ফর গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র ফেলো তাইফুর রহমান, রামরুর পরিচালক মেরিনা সুলতানা, ব্র্যাকের মাইগ্রেশন বিভাগের প্রধান শরীফুল ইসলাম হাসান প্রমুখ।

বক্তব্যে ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, বাস্তুচ্যুতি এবং শরণার্থী সংকট বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। অভিবাসন ও বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব বাড়লেও এ খাতে বরাদ্দ ও গবেষণা বিনিয়োগ এখনও প্রয়োজনের তুলনায় কম। ফলে কার্যকর নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য প্রমাণভিত্তিক গবেষণা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও বলেন, সিএমআরডি শুধু তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, বরং মাঠপর্যায়ের গবেষণা ও সময়োপযোগী নীতি-সংলাপের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। কেন্দ্রটির গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত সরকারের নীতিনির্ধারণ, বাজেট প্রণয়ন এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সহায়ক হবে।

অধ্যাপক এ কে এম আহসান উল্লাহ বলেন, অভিবাসন, শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুতি এখন শুধু মানবিক ইস্যু নয়; এটি বৈশ্বিক উন্নয়ন, ন্যায়বিচার এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। গবেষণা, জ্ঞান বিনিময় এবং নীতি-সংলাপের মাধ্যমে সিএমআরডি বাংলাদেশকে এ খাতে আঞ্চলিক নেতৃত্বের অবস্থানে নিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

সিএমআরডির পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল আলম বলেন, অভিবাসন ও বাস্তুচ্যুত মানুষের অধিকার সুরক্ষা এবং তাদের সংকটের টেকসই সমাধানের লক্ষ্যেই এই প্রাতিষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হয়েছে। ভবিষ্যতে গবেষক, উন্নয়নকর্মী ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে সিএমআরডি।

ওএফএ/এসএএস/বিআরইউ