ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত কলেজগুলোতে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের চার বছর মেয়াদি প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির বিষয়–কলেজ পছন্দক্রম কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে ৩০ জুলাই রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দক্রম জমা দিতে পারবেন। এরপর ধাপে ধাপে মেধাতালিকা প্রকাশ, ভর্তি নিশ্চয়ন, মাইগ্রেশন এবং চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. শহীদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পছন্দক্রম গ্রহণ শেষ হওয়ার পর ৩ আগস্ট রাত ১০টায় বিষয় ও কলেজ উল্লেখ করে প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। এ তালিকায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ৪ আগস্ট থেকে ১২ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে ভর্তি ফি পরিশোধ করে ভর্তি নিশ্চয়ন সম্পন্ন করতে হবে।
এরপর ১৪ আগস্ট রাত ১০টায় প্রথম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে। প্রথম মাইগ্রেশনে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ১৫ থেকে ১৯ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ভর্তি ফি পরিশোধ, ভর্তি নিশ্চয়ন এবং পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন। দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ২০ আগস্ট রাত ১০টায়। এতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ২১ থেকে ২৩ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ফি পরিশোধ, ভর্তি নিশ্চয়ন এবং পছন্দক্রম পরিবর্তন করতে পারবেন।
সব প্রক্রিয়া শেষে ২৫ আগস্ট রাত ১০টায় বিষয় ও কলেজ উল্লেখ করে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। একই দিন রাত ১০টা থেকে সংযুক্ত কলেজগুলো অনলাইনে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের তথ্য ডাউনলোড করতে পারবে। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
অনলাইনে চয়েস ও ভর্তি নিশ্চয়নের নিয়ম
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে চয়েস ফরম পূরণ করতে হবে। বিষয় ও কলেজের তালিকা প্রকাশের পর সোনালী বিল পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৬ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিয়ে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে।
যারা ভর্তি নিশ্চয়ন করবেন, তারা অটো মাইগ্রেশন চালু বা বন্ধ রাখার সুযোগ পাবেন। অটো মাইগ্রেশন চালু থাকলে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে উচ্চতর পছন্দক্রমের বিষয় বা কলেজে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভর্তির সুযোগ মিলবে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন না করলে ওই প্রার্থীকে পরবর্তী ভর্তি কার্যক্রমে আর বিবেচনা করা হবে না। অন্যদিকে, ভর্তি নিশ্চয়ন না করা পর্যন্ত উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন।
কোটায় ভর্তি হতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের চয়েস ফরম পূরণের সময় প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র অনলাইনে আপলোড করতে হবে। পরবর্তীতে কোটা-সংক্রান্ত নতুন কোনো তথ্য যুক্ত করা যাবে না। কোটায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র, পূরণ করা চয়েস ফরমের প্রিন্ট কপি এবং কোটার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে।
চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ২৬ থেকে ৩১ আগস্টের মধ্যে ভর্তি ফরম, পে-স্লিপ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট কলেজে সরাসরি জমা দিতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে মূল নম্বরপত্র ও এর সত্যায়িত অনুলিপি, সর্বশেষ উত্তীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের দেওয়া প্রশংসাপত্র, এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের ফটোকপি, এসএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ডের ফটোকপি এবং পাঁচ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভর্তি নির্দেশিকায় উল্লেখিত সব নিয়ম অনুসরণ বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে ভর্তি-সংক্রান্ত যে-কোনো নিয়ম, নীতি, পরিবর্ধন, সংশোধন বা সংযোজনের পূর্ণ অধিকার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
আরএইচটি/জেআই
