রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সংঘটিত মারামারির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করতে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটিকে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) সংঘটিত ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম-২-কে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. এস এম কামরুজ্জামান।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মো. গোলাম ছাদিক, ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. আসাদুল হক, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মো. আরিফুল ইসলাম এবং ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এ. নাঈম ফারুকী।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, গতকালের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গ্রন্থাগার ও অন্যান্য স্থাপনায় কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত কমিটি পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় মূলত তিনটি স্থান পরিদর্শন করবে। এগুলো হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, রাকসু ভবন, যেখানে হামলার অভিযোগ উঠেছে এবং প্রক্টর দপ্তর, যেখানে ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির মূল লক্ষ্য হলো ঘটনার প্রকৃত কারণ ও উৎস অনুসন্ধান করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপনাগুলোতে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা যাচাই করা। মঙ্গলবার সকালে কমিটির সদস্যরা প্রাথমিক বৈঠক করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত তারা কোনো ভিডিও চিত্র বা আলোকচিত্র পর্যালোচনা করেননি। পরবর্তী সময়ে ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম-২ বলেন, আমরা গতকালের ঘটনার সঠিক তদন্ত করতে ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলগুলো পরিদর্শন করা শুরু করেছি। দ্রুতই প্রতিবেদন জমা দিতে পারব বলে আশা করছি।
জুবায়ের জিসান/আরএআর
