বিজ্ঞাপন

অল্প বৃষ্টিতেই ইবি ক্যাম্পাসে জলাবদ্ধতা, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি

অল্প বৃষ্টিতেই ইবি ক্যাম্পাসে জলাবদ্ধতা, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি

অল্প বৃষ্টিতেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ক্যাম্পাসজুড়ে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। যথাযথ ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় তলিয়ে যায় সড়ক। এতে ভোগান্তিতে পরেন হাজারো আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষার্থী। পানি-কাদা মাড়িয়েই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চলাচল করতে হয়। ড্রেন মেরামতে প্রকৌশল অফিসকে নোট দিলেও তা মেরামত হয়নি বলে জানায় এস্টেট অফিস।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হল, শহীদ আনাস হল ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল-সংলগ্ন সড়ক এবং পুরাতন বিজ্ঞান ভবনের সড়ক, ঝাল চত্বর, শাহ আজিজুর রহমান হলের পকেট গেট ও প্রশাসন ভবনের সড়কগুলো অল্প বৃষ্টিতেই তলিয়ে গেছে। এসব স্থানে যথাযথ ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় ও নিয়মিত ড্রেন সংস্কার না করায় জলাবদ্বতা তৈরি হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। এ ছাড়া বিদ্যমান ড্রেনগুলো দিয়ে যথাসময়ে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা এবং দীর্ঘ সময় ধরে ড্রেন সংস্কার ও মেরামতের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই এই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অপর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণের ফলে পানি জমে জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাকিব, আবদুল্লাহ, নোমান, অর্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক হল এবং শেখপাড়া এলাকার আশপাশের মেসগুলোতে থাকেন। তাই আমাদের যাতায়াতের অন্যতম সড়ক শাহ আজিজুর রহমান হল পকেট গেট-সংলগ্ন রাস্তা। এ রাস্তায় প্রায় সময় অল্প বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আশপাশের অনেক ময়লা পানি এসে এখানে জমাট বাঁধে। এতে পানিবাহিত রোগ ও চর্মরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি যেন খুব দ্রুত পানি নিষ্কাশন এবং ড্রেন মেরামতের ব্যবস্থা করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের উপরেজিস্ট্রার জহির উদ্দীন বলেন, এ সমস্যা গত বছরেও ছিল। তখন আমারা ডে লেভার পরিচ্ছন্নতাকর্মী দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করিয়েছি। তবে আমাদের কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠের দক্ষিণ পাশের ড্রেন ভেঙে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশনের গতি কমে যায়। পরবর্তীতে আমি মেরামতের জন্য প্রকৌশল অফিসকে দুটি নোট দিয়েছি। তবে কী কারণে কাজ সম্পূর্ণ হয়নি তা প্রকৌশল অফিস ভালো বলতে পারবে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম শরীফ উদ্দীন বলেন, এটি অনেক আগের নোটিশ। আমি তথ্য যাচাই করে জানাবো। এই মুহূর্তে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

মাওয়াজুর রহমান/এএমকে