বিজ্ঞাপন

জকসু ভিপি

‘উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারকে কেন্দ্র করেই এসব হামলার ঘটনা ঘটছে’

‘উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারকে কেন্দ্র করেই এসব হামলার ঘটনা ঘটছে’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পের প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার টেন্ডারকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) সহসভাপতি (ভিপি) রিয়াজুল ইসলাম।

বুধবার (৫ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত ছাত্র গণজমায়েত শেষে প্রতিবাদী মিছিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিয়াজুল ইসলাম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ছাত্রদল দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পের প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার আত্মসাতের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা চালানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা আর কোনো টেন্ডারবাজ বা সন্ত্রাসী ছাত্রসংগঠনের রাজনীতি দেখতে চাই না। শিক্ষার্থীদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া হলে এর পরিণতি ভালো হবে না।’

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকার পরও ছাত্রদল এখন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সুবিধা নিতে না পেরে হতাশ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের ১০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারকে কেন্দ্র করেই এসব হামলার ঘটনা ঘটছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এস এম ফরহাদ বলেন, ছাত্রদলের সহিংস কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করা না হলে ভবিষ্যতে এর রাজনৈতিক পরিণতি নেতিবাচক হবে। তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি হাসপাতালে হামলা, রোগী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের ওপর হামলার মতো ঘটনাও ঘটেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এর আগে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দ্বিতীয় ক্যাম্পাস সংক্রান্ত তিন দফা দাবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জকসু, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি, ছাত্রফ্রন্ট ও ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের সঙ্গে শাখা ছাত্রদলের সংঘর্ষ হয়। পরে সংঘর্ষ ক্যাম্পাস থেকে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ৭০ জনের বেশি আহত হন।  একই দিন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায়ও ছাত্রদল শিবিরের মধ্যে দফায় দফায়  সংঘর্ষ হয়। 

এমএল/এসএম