জবি শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. বিলাল হোসাইন বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি করার যে অধিকার, সেটা শুধু ছাত্রদের জন্য, নিয়মিত ছাত্রদের জন্য হওয়া দরকার। এটি শুধু শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ হওয়া উচিত। আপনাদের শিক্ষা জীবন শেষ হয়ে গেছে, আপনারা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন করেন। অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন করে আপনারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির আমন্ত্রণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, একটি ক্যাম্পাসকে সুস্থ ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে হলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ যারা নিয়মিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত, তাদেরই ক্যাম্পাসের কর্মকাণ্ডে অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে অনিয়মিত ছাত্রদের ক্যাম্পাসে আসা-যাওয়া ও নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাজনীতি করার প্রবণতা বন্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কঠোর ভূমিকা নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গত ৪ তারিখে দিনভর ধরে এখানে মারামারি হলো, দিনভর সময় ধরে এখানে সংঘর্ষ হলো। সেটি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়, বিশেষ করে প্রক্টোরিয়াল বডির তারা দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছে কিনা, এই প্রশ্ন আমি আজকে আপনাদের মাধ্যমে করতে চাই।
বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বাভাবিক করতে প্রশাসনকে কঠোর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বাভাবিক করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। যারা এই প্রশাসনিক পদে থেকেও যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেনি, তাদের ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
তিনি বলেন, ৪ তারিখ এবং এদিন সন্ধ্যার পর থেকে বা ওই সময়টাতে, সেটি আমাদের জন্য আমাদের সামনে একটি ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছে। বিশেষ করে আমি একটি কথা এখানে পরিষ্কার করে বলতে চাই, হাসপাতালে আক্রমণ করা, একাধিকবার আক্রমণ করা। এটি বাংলাদেশের ২৪-এর জুলাই বিপ্লবের পরবর্তী যে বাস্তবতার পর কখনোই এটি মেনে নেওয়ার মতো নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী সবার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই দেশের মানুষের ট্যাক্সের টাকায় বিশ্ববিদ্যালয় চলে, মানুষের ট্যাক্সের টাকায় আমাদের বেতন হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের সবার। আমরা শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী সবাইকে মিলে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে চাই।
জেআই
