নিজস্ব ক্যাম্পাসে পরীক্ষা, ইংরেজি ভার্সনে সেমিস্টার সিস্টেম চালুসহ ৬ দফা দাবিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত তিতুমীর কলেজের ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. সালমা বেগম ও অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিনের কাছে উপাচার্যের নিকট পাঠানোর জন্য ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থীদের পক্ষে এ স্মারকলিপিটি দেন তিতুমীর কলেজের পাঁচজন শিক্ষার্থী।
স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা প্রত্যাশার কথা জানিয়ে বলেন, একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে আমাদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা অনেক। একটি আধুনিক, শিক্ষার্থীবান্ধব ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে হলে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আমরা মনে করি। আমাদের ৬ দফা যৌক্তিক দাবিগুলো কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থের নয়, বরং এগুলো শিক্ষার্থীদের একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও সেশনজটমুক্ত শিক্ষাজীবনের প্রত্যাশা।
স্মারকলিপিতে ২০২৪-২৫ সেশনের উত্থাপিত দাবিগুলো হলো— শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্রে বারকোড/কিউআর কোড স্ক্যানিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এতে শিক্ষার্থীর পরিচয় ও প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত যাচাই করা সম্ভব হবে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ হবে। আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্য সেমিস্টার সিস্টেম ও ইংরেজি ভার্সন চালু করতে হবে। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে পরীক্ষা স্ব স্ব কলেজ ক্যাম্পাসে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম, পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট সময়সূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। কোনোভাবেই যেন এক বর্ষের কার্যক্রম অযথা দীর্ঘায়িত না হয় এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে সেশনজট সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। সাতটি কলেজের সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের সমন্বয়ে কেন্দ্রীয় অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল বা প্রশ্ন প্রণয়ন কমিটি গঠন করতে হবে। এর মাধ্যমে প্রশ্নপত্রের মান, সামঞ্জস্য ও অ্যাকাডেমিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এ ছাড়া, স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, আবাসিক সুবিধা নিশ্চিত করতে দূর-দূরান্ত থেকে আগত শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে আবাসিক সুবিধা চালুর কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। দ্রুত ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী বর্ষের শিক্ষা কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্বিঘ্ন রাখা সম্ভব হবে।
এমওএইচ/এসএএস
