ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিনের বক্তব্য বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘ভুয়া’ ফটোকার্ড ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিবৃতি দেন।
ছড়িয়ে পড়া ‘ভুয়া’ ওই ফেসবুক পোস্টে অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিনের নাম ব্যবহার করে ‘মনগড়া’ বক্তব্য সম্বলিত ফটোকার্ড শেয়ারের অভিযোগ উঠেছে। ‘ভুয়া’ ফটোকার্ডে তিতুমীর কলেজে দেওয়া বক্তব্যে মিথ্যা সূত্র উল্লেখ করে ‘আইন মানলে তো শেখ হাসিনা আজ প্রধানমন্ত্রী থাকার কথা’ এমন উদ্বৃতি বিভিন্ন ফেসবুক পেজ থেকে প্রচার করা হয়।

ছড়িয়ে পড়া ওই ফটোকার্ডের উদ্ধৃতি প্রত্যাখ্যান করে বিবৃতিতে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি আমার নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে, আমি তিতুমীর কলেজে ‘আইন মানলে তো শেখ হাসিনা আজ প্রধানমন্ত্রী থাকার কথা’ এমন একটি মন্তব্য করেছি। আমি সুস্পষ্টভাবে জানাচ্ছি, এ ধরনের কোনো বক্তব্য আমি কখনো দিইনি এবং এই উদ্ধৃতি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিকৃত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তৈরি।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে আমি অ্যাকাডেমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজে যুক্ত আছি। বর্তমানে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এ ধরনের ভিত্তিহীন প্রচারণা কেবল আমার ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার প্রচেষ্টা নয়, বরং প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাবমূর্তি নষ্ট করারও একটি অপচেষ্টা বলে আমি মনে করি। রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর বিষয়ে মিথ্যা উদ্ধৃতি তৈরি করে বিভ্রান্তি ছড়ানো একটি গুরুতর অসততা, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে ট্রেজারার বলেন, যাচাই ছাড়া এ ধরনের পোস্ট শেয়ার বা প্রচার না করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে, যারা এই মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
এমওএইচ/এসএএস
