বিজ্ঞাপন

বিএনপি সরকারের ১৮০ দিন নিয়ে ছাত্রদলের মুক্ত আলোচনা

বিএনপি সরকারের ১৮০ দিন নিয়ে ছাত্রদলের মুক্ত আলোচনা

বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের সরকার পরিচালনার সাফল্য, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের ১ নম্বর যুগ্ম সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসানের উদ্যোগে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, তিতুমীর কলেজসহ ঢাকার আশপাশের বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্রদল নেতারা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা সরকারের গত ছয় মাসের বিভিন্ন কার্যক্রম, অর্জন ও সম্ভাবনার পাশাপাশি দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে সরকারের আগামী দিনের অগ্রাধিকার, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তরুণদের জন্য সম্ভাবনার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচনায় বক্তারা সরকারের সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি জনগণের কাছে সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তারা। আগামী দিনে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তরুণদের জন্য সম্ভাবনার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করাকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে আলোচনায় আনা হয়।

আলোচনায় মমিনুল ইসলাম জিসান বলেন, সরকারের জনবান্ধব উদ্যোগগুলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে। জনগণের কাছে গত ছয় মাসের কার্যক্রম তুলে ধরার মধ্য দিয়ে সরকার জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতা প্রমাণ করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ১৮০ দিন একটি সরকারের জন্য খুব দীর্ঘ সময় নয়। আর ১৭ বছরের একটি রেজিমের পতনের পর দায়িত্ব নেওয়া একটি সরকারকে কেবল ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ড দিয়ে বিচার করার বাস্তবতাও নেই। তবে এই সময়ের মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বাস্তবতার জায়গা থেকে আমাদের স্বীকার করতে হবে, সরকারের সামনে এখনও অনেক বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে জিসান বলেন, প্রায় ২৩ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা, অর্থনৈতিক চাপ, মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান এবং মানুষের ক্রমবর্ধমান প্রত্যাশা— সবকিছুকে সঙ্গে নিয়েই সরকারকে এগিয়ে যেতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, এই কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক পরিকল্পনা, রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং তরুণ প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এজেডআর/এসএএস