'পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য বজায় রেখে কার্যকর বহুপাক্ষিকতাকে সুসংহত করা' প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) চার দিনব্যাপী ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ঢাকা ইউনিভার্সিটি মডেল ইউনাইটেড নেশন্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এ সম্মেলন শুরু হয়।
ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা ইউনিভার্সিটি মডেল ইউনাইটেড নেশন্স অ্যাসোসিয়েশনের মডারেটর অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল ইসলাম, বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রধান ও আবাসিক প্রতিনিধি ড. সুসান ভাইজ এবং ব্র্যাক বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। চার দিনব্যাপী এ আয়োজনে লিঙ্গ বৈষম্য, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি, মানবাধিকার, মানবপাচার, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন, আন্তর্জাতিক চুক্তি, অভিবাসন নীতি, ভূরাজনীতি ও কূটনীতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করবেন অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, মতপার্থক্য দূর করার পরিবর্তে তা স্বীকার করেই সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে। বর্তমান বিশ্বে বিভাজন এবং বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলতার প্রেক্ষাপটে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, মডেল ইউনাইটেড নেশন্সের মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের বিতর্ক, নেতৃত্ব, কূটনীতি ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জটিল বৈশ্বিক সমস্যার সমাধানে উচ্চকণ্ঠ হওয়ার চেয়ে মনোযোগ দিয়ে অন্যের কথা শোনা এবং সমস্যার প্রকৃত কারণ অনুধাবন করা বেশি জরুরি।
গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, তরুণদের সংগঠিত হওয়া, যুক্তির মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরা এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে মডেল ইউনাইটেড নেশন্সের চর্চার গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র রয়েছে।
এজেডআর/আরএফ
