ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলগুলোর নিরাপত্তা জোরদার, অনাবাসিক ছাত্রীদের হলে প্রবেশ এবং এক হলের ছাত্রীর অন্য হলে প্রবেশের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে ডাকসুর আলোচনা হয়েছে। এসব বিষয় সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনায় ছাত্রী হলগুলোতে দ্রুত সিকিউরিটি গেট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন)-এর সঙ্গে ডাকসুর প্রতিনিধিদের এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন ডাকসুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. ইকবাল হায়দার এবং কার্যনির্বাহী সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্না।
আলোচনায় ডাকসুর পক্ষ থেকে ছাত্রী হলগুলোতে সিকিউরিটি গেট স্থাপনের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। ডাকসুর মতে, এ ব্যবস্থা চালু হলে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হল প্রশাসনের কার্যক্রমও আরও সহজ, সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
বৈঠকে অনাবাসিক ছাত্রীদের হলে সিট দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়। এ ক্ষেত্রে সিট বণ্টনের জন্য একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
আলোচনায় বলা হয়, কোনো সিট বাতিল হওয়া বা খালি হওয়ার পর অপেক্ষমাণ অনাবাসিক ছাত্রীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সিট দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
এ ছাড়া, হলে সিট বরাদ্দ পাওয়ার আগ পর্যন্ত অনাবাসিক ছাত্রীদের বৃত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এ সংক্রান্ত নীতিমালা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে অবহিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ডাকসুর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ছাত্রীদের নিরাপত্তা, আবাসন এবং শিক্ষার্থীবান্ধব হল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) জানান, ছাত্রী হলগুলোতে সিকিউরিটি গেট স্থাপনের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শুরু হবে। একই সঙ্গে এ ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে হলগুলোর প্রচলিত প্রশাসনিক কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন হলে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
এজেডআর/এসএএস
