কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও সচেতনতা বাড়াতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ডিমিস্টিফাইং এআই’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) জাতীয় ছাত্রশক্তি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে কবি জসীম উদ্দীন হল অডিটোরিয়ামে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তাহমীদ আল মুদাসসির চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমিন সরকার।
কর্মশালায় জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সিনিয়র সহসাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমিন সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল্লাহ, জোনাল সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাকিব, জোনাল সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জহির রায়হান, দপ্তর সম্পাদক সরদার নাদিম মাহমুদ শুভ, কবি জসীম উদ্দীন হল ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম নাহিদ, সদস্যসচিব নাইমুর রহমান রিদমসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তাহমীদ আল মুদাসসির চৌধুরী বলেন, আমরা জাতীয় ছাত্রশক্তি যে আদর্শ ধারণ করি, তা হলো বাংলাদেশপন্থা। আমরা চাই, আমাদের দেশের তরুণরা দক্ষিণ এশিয়ার নেতৃত্ব দেবে। এই লক্ষ্য অর্জনে এআই প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলে পর্যায়ক্রমে এআই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণা পদ্ধতি নিয়েও এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজনের আগ্রহ রয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ বলেন, আমরা যে সময়ে বসবাস করছি, তাকে পোস্ট-নরমাল টাইম বলা হয়। এ সময়ে এআই সম্পর্কে জ্ঞানার্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের গবেষণা শাখা রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার নেতৃত্বে আসতে হলে বাংলাদেশের তরুণদেরও এ ধরনের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তার মতে, অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের কাছে অনেক সম্পদ ও সম্ভাবনা রয়েছে, যা কাজে লাগাতে প্রয়োজন দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি ‘তিন সি’ ধারণ করার পরামর্শ দেন। তার ভাষায়, প্রথম ‘সি’ হলো কান্ট্রি অর্থাৎ কান্ট্রি ফার্স্ট, দেশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। দ্বিতীয় ‘সি’ হলো কনফিডেন্স আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে হবে। তৃতীয় ‘সি’ হলো কারেজ - সাহসী হতে হবে।
এজেডআর/এমটিআই
