বিজ্ঞাপন

প্রশাসনকে ডাকসুর ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

প্রশাসনকে ডাকসুর ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

ফজলুল হক মুসলিম হলের ঘটনায় পাঁচ দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ডাকসু। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবিগুলোর সুরাহা না হলে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে বৈঠক করেন ডাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতৃবৃন্দ। বৈঠকে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ, এজিএস মহিউদ্দিন খানসহ অধিকাংশ হল সংসদের ভিপি, জিএস ও এজিএস উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে, ফজলুল হক মুসলিম হলে শিক্ষার্থী প্রভোস্টের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ, নির্যাতনের বিচার দাবি করা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের শোকজ নোটিশ প্রদান, আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা এবং শাহবাগ থানার অভ্যন্তরে ডাকসু, হল সংসদ ও সাংবাদিক সমিতির নেতৃবৃন্দের ওপর হামলার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নেতৃবৃন্দ।

বৈঠকে ডাকসু ও হল সংসদের নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষরসংবলিত পাঁচ দফা দাবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তুলে ধরা হয়।

 

ডাকসুর দাবিগুলো হলো—

১. ফজলুল হক মুসলিম হলে প্রভোস্ট কর্তৃক শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত প্রভোস্টকে অবিলম্বে অপসারণ করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

২. নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীসহ বিচারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দেওয়া শোকজ নোটিশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

৩. প্রভোস্ট কক্ষের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করতে হবে।

৪. আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

৫. শাহবাগ থানার অভ্যন্তরে মব সৃষ্টি করে ডাকসু, হল সংসদ ও সাংবাদিক সমিতির নেতৃবৃন্দের ওপর হামলার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অবিলম্বে প্রকাশ করতে হবে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছে ডাকসু।

বৈঠক শেষে ডাকসুর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবিগুলোর সুরাহা না হলে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের কালক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়েছে।  

এজেডআর/এমটিআই

বিজ্ঞাপন