বিজ্ঞাপন

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সমন্বিত কাজের আহ্বান

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সমন্বিত কাজের আহ্বান

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব ও দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় গবেষক ও বিজ্ঞানীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম।

তিনি বলেছেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথ গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ, তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং তরুণ গবেষকদের দুর্যোগ ও জলবায়ু ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করতে হবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘স্ট্রেনদেনিং অ্যাকাডেমিক কোলাবেরশন ফর ডিজাস্টার প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজ বিভাগ যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।

ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড। স্বাগত বক্তব্য দেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান খান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইনস্টিটিউটের প্রভাষক জাওয়াদ ইবনে ফরিদ।

অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। এর পাশাপাশি দেশকে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবও মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষক ও বিজ্ঞানীদের সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথ গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ এবং পারস্পরিক তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পরিধি বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে জলবায়ু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তরুণ গবেষকদের প্রস্তুত করতে হবে।

গবেষণার ফলাফল নীতিনির্ধারণে কাজে লাগানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। অধ্যাপক আবদুস সালাম বলেন, গবেষণালব্ধ তথ্য ও ফলাফল নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দুর্যোগের ঝুঁকি প্রশমন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর ও টেকসই সমাধান বের করা সম্ভব।

উল্লেখ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ প্রিপেয়ার্ডনেস পার্টনারশিপ (BPP) কর্মসূচির আওতায় এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এশিয়ান ডিজাস্টার প্রিপেয়ার্ডনেস সেন্টার কর্মসূচিতে কারিগরি সহায়তা এবং বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন অর্থ সহায়তা দিচ্ছে।  

এজেডআর/এনএফ