বিজ্ঞাপন

ঢাবিতে জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

ঢাবিতে জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এসব কর্মসূচির আয়োজন করে। সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জাতীয় কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে সেখানে ফাতেহা পাঠ করা হয়।

এরপর কবির সমাধি প্রাঙ্গণে উন্মুক্ত মঞ্চে উপাচার্যের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর স্মারক বক্তৃতা দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ সালেকীন)।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এবং জাতীয় কবির নাতনি খিলখিল কাজী উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন। এ ছাড়া জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বাদ ফজর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিয়া’য় কোরআনখানি অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

তিনি বলেন, নজরুলের জীবন ও সাহিত্যকর্ম মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে শেখায়। সমাজের বৈষম্য, অনাচার, নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায় তার সাহিত্য থেকে।

উপাচার্য বলেন, সাম্য, সৌহার্দ্য ও শান্তি বজায় রেখে নিজেদের মধ্যে ইস্পাত-কঠিন ঐক্য ধরে রাখার শিক্ষাও নজরুলের সাহিত্যকর্ম থেকে পাওয়া যায়। তিনি ছিলেন বহুমাত্রিক গুণের অধিকারী। তার জীবন ও সাহিত্যকর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেম, মানুষের প্রতি মমত্ববোধ এবং নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হওয়ার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।

এজেডআর/এসএম