বিজ্ঞাপন

নিয়োগ পরীক্ষায় ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির উদ্যোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিয়োগ পরীক্ষায় ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির উদ্যোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।   

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহিদ রফিক ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ‘বেশি মার্ক ভাইভায়, চাকরি হবে পয়সায়’, ‘ভাইভা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘কোটা গেছে যে পথে, ভাইভা যাবে সে পথে’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়। 

মানববন্ধনে জকসু ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার দেশের গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সমাধান এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দিকে প্রয়োজনীয় নজর না দিয়ে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন খাতে দলীয়করণের পাঁয়তারা শুরু করেছে। সরকারি চাকরিতে লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর বৃদ্ধি করা মূলত দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন খাতকে দলীয়করণ করার একটি কৌশল। অবিলম্বে এমন অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।

জকসু এজিএস মাসুদ রানা বলেন, সরকারি চাকরিতে লিখিত পদ্ধতির নম্বর কমিয়ে ভাইভায় নম্বর বৃদ্ধি মূলত কোটা পদ্ধতির নব্যরূপ। এরকম প্রতারণামূলক পদ্ধতির আবির্ভাব ঘটিয়ে পূর্বের সরকারকে তীব্র জনরোষের মুখে দেশ ছাড়তে হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই পদ্ধতি বাতিল না করলে বর্তমান সরকারকেও শিক্ষার্থীরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে।

জাতীয় ছাত্রশক্তি, জবি শাখার সভাপতি মো. শাহীন মিয়া বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। আমরা সরকারকে সতর্ক করে দিতে চাই, একের পর এক এমন শিক্ষার্থী বিরোধী, গণবিরোধী সিদ্ধান্ত প্রণয়ন বন্ধ না করলে পূর্বের ফ্যাসিস্ট সরকারের মতো এই সরকারকেও কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরির ১১–২০ গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের জন্য নতুন পরীক্ষার মানবণ্টনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত বিধিমালা অনুযায়ী, ১১–১২ গ্রেডে ১০০ নম্বরের লিখিত ও ৫০ নম্বরের মৌখিক, ১৩–১৬ গ্রেডে ৬০ নম্বরের লিখিত ও ৪০ নম্বরের মৌখিক এবং ১৭–২০ গ্রেডে লিখিত ও মৌখিক—উভয় পরীক্ষায় ২৫ নম্বর করে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। 

এনএফ