কক্সবাজার হবে বিশ্বশ্রেষ্ঠ সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র

Dhaka Post Desk

জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার

০১ এপ্রিল ২০২২, ১০:৩৩ এএম


কক্সবাজার হবে বিশ্বশ্রেষ্ঠ সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কক্সবাজার হবে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সমুদ্রসৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সম্ভাবনাময়। তাই বাংলাদেশকে সারা বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের একটা কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই।

বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে বদলে যাওয়া কক্সবাজার অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, সার্বিকভাবে ভৌগোলিক অবস্থান সামনে রেখে সারা বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের একটা কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই আমাদের দেশটাকে। তাতে আর্থিকভাবেও আমাদের দেশ অনেক বেশি লাভবান হবে। বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশ বিশ্ব যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দু হলেও আগামীতে বাংলাদেশ সেই কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে।

কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত ও পর্যটনের সম্ভাবনার কথা জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, অনেক চিন্তা ও পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। কক্সবাজার নিয়ে তো আরও বেশি রয়েছে। কক্সবাজার হবে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সি বিচ, পর্যটন কেন্দ্র ও অত্যন্ত আধুনিক শহর। সেভাবেই পুরো কক্সবাজারকে আমরা উন্নত-সমৃদ্ধ করব।

কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলমান উন্নয়ন মাধ্যমে আমি মনে করি যে ওয়াদা জনগণের কাছে দিয়েছিলাম, সেখানে আরও একটা ধাপ আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, দেশে প্রথমবারের মতো আধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে এই যে জলভাগের ওপর আমরা একটা রানওয়ে নির্মাণ করছি, সেটাও দৃষ্টিনন্দন হবে এবং অনেকে এটা দেখতে যাবে। তিনি জলভাগের ওপর এই রানওয়ে নির্মাণের সাহস নিয়ে কাজ শুরু করতে যাওয়া সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন রুটে বিমানের ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনার কথা জানান সরকারপ্রধান। বিমানের সেবা বাড়াতে এবং এর আধুনিকায়নে সংশ্লিষ্টদের সততা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে জাতির পিতার যে স্বপ্ন ছিল, সে স্বপ্ন যেন আমরা পূরণ করতে পারি। আমরা ২০০৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে রূপকল্প ঘোষণা করেছিলাম, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হবে। সেখানে আজ আমরা উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছি। এটা ধরে রেখে আমাদের উন্নত দেশের পথে এগিয়ে যেতে হবে। ইনশা আল্লাহ আমরা সেটা করতে পারব।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অ্যাভিয়েশন অগ্রগতি সম্পর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে অনুষ্ঠানে একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

সাইদুল ফরহাদ/এনএ

Link copied