দেশি খাবার খেয়ে ডায়মন্ডের ওজন হয়েছে ২৫ মণ

কালো ও সাদা বর্ণে উজ্জ্বল এবং শারীরিকভাবে মোটাতাজা হওয়ায় গরুটিকে দেখতে আকর্ষণীয় লাগে। পরম মমতায় লালন-পালন করা মালিক এর নাম দিয়েছেন ‘ডায়মন্ড’। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে তিনি একে বিক্রি করবেন। তাই ২৫ মণ ওজনের ডায়মন্ডের দাম হেঁকেছেন ৮ লাখ টাকা।
টঙ্গীবাড়ি উপজেলার যশলং ইউনিয়নের সেরজাবাদ গ্রামের খামারি বিল্লাল গাজীর খামারে দেখা মেলে ডায়মন্ডের। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া ডায়মন্ডকে দেশীয় ঘাস আর খৈল-ভুসি খাইয়ে বড় করেছেন। দুই বছর বয়সী গরুটিকে দেখতে বিল্লালের খামারে প্রতিদিন ভিড় জমায় মানুষ।
বিল্লাল গাজি বলেন, জমির ঘাস, খৈল, ভুসি খাইয়ে ষাঁড়টিকে এত বড় করেছি। এটাকে কোনো ভেজাল ইনজেকশন দিই নাই। কিংবা সার, ফিট অন্য কিছু খাওয়াই নাই। বাজারে গরুর খাবারের দাম অনেক বেশি। ন্যায্য দাম পেলে এবারের ঈদে ষাঁড়টির বিক্রি করে দেব।
এ ব্যাপারে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ডা. এনায়েত করিম ঢাকা পোস্টকে বলেন, মুন্সীগঞ্জে সবচেয়ে বড় গরু কোনটি, আমার কাছে এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট তথ্য নাই। তবে জেলায় কোরবানির জন্য এ বছর মোট ১৫ হাজার ৭২৭টি গরু ও ৯১০টি ছাগল ও ভেড়া এ বছর মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন ফার্মে লালন-পালন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মুন্সীগঞ্জে যে পরিমাণ কোরবানির জন্য গরুর প্রয়োজন হয়, এ জেলায় তার চেয়ে অনেক কম গরু রয়েছে। অন্যান্য জেলা থেকে গরু এসে মূলত এ জেলার গরুর চাহিদা পূরণ করে।
ব.ম শামীম/এনএ