স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় মারধর, স্বামীকে ফাঁসাতে সরকারি ঘর ভাঙচুর

Dhaka Post Desk

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

০১ মার্চ ২০২১, ১০:০২ পিএম


স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় মারধর, স্বামীকে ফাঁসাতে সরকারি ঘর ভাঙচুর

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন বরিশালের পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মাণাধীন ঘর ভাঙচুরের ঘটনায় ইউপি সদস্য ও ঠিকাদারসহ পাঁচজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

তারা হলেন উপজেলার চাখার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য দীপু দত্ত, প্রকল্পের ঠিকাদার রাম প্রসাদ মন্ডল, শ্রমিক সর্দার ইমরান সিকদার, মো. সাদিক শেখ এবং মিশকাত মোল্লা।

নির্মাণাধীন ঘরের ২৬টি পিলার এবং একটি ঘরের দেয়াল ভেঙে ফেলার ঘটনায় করা মামলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

সোমবার (০১ মার্চ) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে মারুফ হোসেন বলেন, বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের সাকরালে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য জমিসহ ১০০টি ঘর নির্মাণ করছে সরকার। ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে  নির্মাণাধীন ওসব ঘরের ২৬টি পিলার ও একটি ঘরের দেয়াল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরদিন চাখার ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বাদশা মিয়া ৪-৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ওই  মামলায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বিকেলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে প্রকল্পের ২৬টি পিলার ও একটি দেয়াল ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। মামলা দায়েরের আটদিনের মাথায় ঘটনার রহস্য বের হলো।

পুলিশ সুপার বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের শ্রমিক এমদাদ হোসেনের সঙ্গে স্থানীয় এক নারীর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ নিয়ে এমদাদকে মারধর করেন ওই নারীর স্বামী। পরে ওই নারীর স্বামীকে ফাঁসাতে প্রকল্পের ঠিকাদার রাম প্রসাদ মন্ডলকে সরকারি প্রকল্পের ঘরের কয়েকটি পিলার ভাঙার নির্দেশ দেন ইউপি সদস্য দীপু দত্ত। শ্রমিক সরদার ইমরান হোসেনকে দিয়ে সরকারি ঘরের ২৬টি পিলার ও একটি দেয়াল ভেঙে ফেলেন রাম প্রসাদ মন্ডল। পরে এ ঘটনায় মামলা হয়।

মেহেদী/এএম

Link copied