স্মার্ট বাংলাদেশের কথা শুনতে জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবে

Dhaka Post Desk

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:২৩ এএম


স্মার্ট বাংলাদেশের কথা শুনতে জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবে

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ. এইচ. এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার যে কথা প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সেই স্মার্ট বাংলাদেশের কথা শোনার জন্য মানুষ জনসভায় আসতে চায়, মানুষ কাছে এসে নিজের কানে শুনতে চায়, প্রধানমন্ত্রীকে নিজের চোখে দেখতে চায়। প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশের কথা শুনতে জনসভায় মানুষের ঢল নামবে। জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবে।

২৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজশাহীর সমাবেশ সামনে রেখে গতকাল ছাত্রলীগ আয়োজিত রাজশাহী বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজশাহীর শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন দৃশ্যমান হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পদ্মাসেতু দিয়েছেন, মেট্রোরেলসহ ব্যাপক উন্নয়ন দিয়েছেন। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ করা হচ্ছে। সারা দেশে ৫৬৪টি মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। সম্প্রতি দ্বিতীয় ধাপে আরও ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্বের কোনো মুসলিম দেশে এক সাথে সরকার কর্তৃক এতো বেশি সংখ্যক মসজিদ নির্মাণের ইতিহাস নেই। তিনি ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে দেশে থাকার জায়গায় দিয়েছেন। তাইতো তিনি মানবতার মা।

খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, এই বছরটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনের বছর। বছরব্যাপী বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে। অপরদিকে বিএনপি বলছে, এই বছরে তারা আন্দোলন করবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে অংশ নেবে না, তারা শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন হতে দেবে না।  এই কথা বলার অধিকার বিএনপি-জামায়াতকে কে দিয়েছে?

খায়রুজ্জামান লিটন আরো বলেন, নেত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, বিএনপি যদি আবারও আগুন সন্ত্রাস করতে আসে, জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে চায়, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতে চায়, কোরআন শরীফ পোড়াতে চায়, রাস্তার গাছ কেটে ফেলতে চায়, অরাজকতা করতে চায় তাহলে তাদের সেই হাত ভেঙে দিতে হবে, সেই হাত পুড়িয়ে ফেলতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়নে আমরা প্রস্তুত আছি।

রাসিক মেয়র বলেন, ছাত্রলীগের ইতিহাস বাংলাদেশের ইতিহাস। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিসংগ্রাম এবং তার পরবর্তী এ পর্যন্ত যত লড়াই সংগ্রাম, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ যেকোন সংকট মোকাবিলায় ছাত্রলীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। 

এনএফ

Link copied