গোপন বৈঠক থেকে হেফাজতের ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার

Dhaka Post Desk

উপজেলা প্রতিনিধি, সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ)

০৮ এপ্রিল ২০২১, ২২:১৪

গোপন বৈঠক থেকে হেফাজতের ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার

রয়েল রিসোর্টে শনিবার মামুনুল হককে নারীসহ অবরুদ্ধের পর হামলা ও ভাঙচুর

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় গোপন বৈঠকের সময় হেফাজতে ইসলামের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের শান্তিনগর দারুন নাজাত নুরানি মাদরাসার ভেতরে সরকারবিরোধী বৈঠকের সময় বৃহস্পতিবার (০৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।

তারা হলেন চরগোয়ালদি গ্রামের হেফাজত নেতা ও খাসেরগাঁও জামে মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ ইউনুস (৩৮), মঙ্গলেরগাঁও গ্রামের হেফাজতকর্মী মো. শরীফ (২১), পাঁচকানিরকান্দি গ্রামের আবু সাঈদ (২৭), দুধঘাটা গ্রামের হাসান মাহমুদ (২৪), শান্তিনগর গ্রামের মো. রেদোয়ান (৩৭), কোরবানপুর গ্রামের মো. রায়হান (৩১) ও পাঁচানি গ্রামের হাসান মাহমুদ (২৯)।

সোনারগাঁ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তবিদুর রহমান বলেন, সরকারি নির্দেশনায় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। মাদরাসাও বন্ধ রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দারুন নাজাত মাদরাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় সরকারবিরোধী আন্দোলনের জন্য গোপন বৈঠক করা অবস্থায় সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মী বলে স্বীকার করেছেন।

সোনারগাঁ থানা পুলিশের করা দুই মামলা ও স্থানীয় সাংবাদিক হাবিবুর রহমানের ওপর হামলার অভিযোগে করা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এর আগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে হেফাজতে ইসলামের তিন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের করা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়।

রিসোর্টে হামলার ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে সোনারগাঁয়ের বাংলাবাজার এলাকা থেকে মো. মোস্তফা মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।

রয়েল রিসোর্টে শনিবার মামুনুল হককে নারীসহ অবরুদ্ধের পর হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে উদ্ধারের ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে সোনারগাঁ থানায় তিনটি মামলা করা হয়। এর মধ্যে দুটি মামলা করেছে পুলিশ। অপরটি আহত এক সাংবাদিক করেছেন। তিন মামলার একটিতে মামুনুল হককে প্রধান আসামি করা হয়।

শেখ-ফরিদ/এএম

Link copied