সালথার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি বিএনপির

Dhaka Post Desk

জেলা প্রতিনিধি, ফরিদপুর

১০ এপ্রিল ২০২১, ১৯:৫৯

সালথার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি বিএনপির

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন শামা ওবায়েদ ইসলাম

ফরিদপুরের সালথায় সহিংসতার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মী ও সাধারণ গ্রামবাসীর নামে মিথ্যা মামলা দায়ের এবং গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, ৫ এপ্রিল রাতে সালথার গ্রামবাসী মনের দুঃখে ইমোশনাল হয়ে এটি করেছেন। এর সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত ছিল।

কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বলছেন এটি পরিকল্পিত এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা এর সাথে জড়িত। এটি একেবারেই মিথ্যা কথা। আমরা এ ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

শনিবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে শহরের চকবাজারে অবস্থিত একটি বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের চতুর্থ তলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোদাররেস আলী ঈসা, সাবেক সহসভাপতি মোস্তাক হোসেন বাবলু, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আশরাফ নান্নু, শহর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এমটি আখতার টুটুল, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আফজাল হোসেন খান পলাশ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জুলফিকার হোসেন জুয়েল, জেলা যুবদলের সভাপতি রাজিব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গির হোসেন, মহানগর যুবদলের সভাপতি বেনজির আহমেদ তাবরীজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সালথা পরিদর্শনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তব্যের নিন্দা জানান শামা ওবায়েদ।

শামা ওবায়েদ বলেন, সরকারের বিভিন্ন এজেন্সি ও গোয়েন্দা সংস্থা থাকা সত্ত্বেও হেফাজত সারাদেশে এতো তাণ্ডব চালাতে পারে তাহলে সকলের কাছে এটি পরিষ্কার যে, হেফাজতকে আওয়ামী লীগ ব্যবহার করছে ।

তিনি বলেন, ঘটনার রাতে পুলিশ যেই চিত্রটি দিয়েছিলেন, পর দিন মামলায় দেখা গেল  উল্টো। সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর অসুস্থতাজনিত কারণে অনুপস্থিতিতে তাঁর ছেলের নির্দেশে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় এসব মামলা ও গ্রেফতার করা হয়েছে। অবিলম্বে এসব মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি দাবি করেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, বিরোধী দলকে মোকাবিলা করতে হলে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে। প্রশাসন ও রাষ্ট্রযন্ত্র দিয়ে মিথ্যা মামলা করে বেশিদিন চালাতে পারবেন না।

বি কে সিকদার সজল/এমআইএইচ

Link copied