বিজ্ঞাপন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না

ডাকসু ও জাকসু নির্বাচন কারচুপিতে জামায়াত-শিবির শেখ হাসিনাকেও ছাড়িয়ে গেছে

ডাকসু ও জাকসু নির্বাচন কারচুপিতে জামায়াত-শিবির শেখ হাসিনাকেও ছাড়িয়ে গেছে

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করেছে, নির্বাচন প্রকৌশলের (ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং) মাধ্যমে জামায়াত-শিবিরের কাছে শেখ হাসিনাকেও হার মানতে হয়েছে। আপাতত তারা এতে সফল হলেও, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে মাঠে থাকবে।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জ শহরের বড়বাজার ব্রিজ এলাকায় নরসুন্দা নদী পরিস্কার কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, উপাচার্য ও প্রক্টর জামায়াতপন্থী প্রভাব খাটিয়ে পুরো নির্বাচনকে কলুষিত করেছেন। তাদের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমেই ডাকসু নির্বাচন ছাত্রশিবির কারচুপির মাধ্যমে জয়লাভ করেছে। কিন্তু এনসিপি, উমামা ফাতেমা ও স্বতন্ত্রসহ অন্যান্য সব প্যানেল এই নির্বাচনকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।

কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী নরসুন্দা নদী পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নেতৃত্ব দেন যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না। এ সময় ব্রিজের মুখে ও নদীর দুই তীরে জমে থাকা প্লাস্টিক, বোতলসহ বিভিন্ন প্রকার বর্জ্য অপসারণ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, তারেক রহমানের নির্দেশে জেলা যুবদলের উদ্যোগে এ বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। তারা বলেন, নদীর পানিপ্রবাহ সচল রাখা এবং দখল ও দূষণমুক্ত রাখতে নিয়মিতভাবে এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা যুবদলের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নদী পরিস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে পরিবেশ রক্ষা এবং সুস্থ নগর গড়তে এটি বড় ভূমিকা রাখবে।

নরসুন্দা ও জেলার পরিবেশ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা সংগঠন রূপান্তরের তারুণ্য -এর সদস্য সুপ্রতিক সরকার বলেন, আমাদের স্বপ্নের নরসুন্দা নদী দিন দিন মরে গিয়ে খালে পরিণত হচ্ছে। আমরা এ পর্যন্ত ৫০টিরও বেশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালন করেছি। প্রশাসনকে একাধিকবার চিঠি দিয়েছি। শহরের বুক চিরে যাওয়া এই নদীর পানিপ্রবাহ সচল রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যুবদল যে উদ্যোগ নিয়েছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়। রাজনৈতিক দলগুলো যদি এমন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসে, তবে আগামীর পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। আমরা আশাবাদী।

এ কার্যক্রমে আরও উপস্থিত ছিলেন- যুবদলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করিম পল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আশরাফ জালাল খান মনন, জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জামান শরীফ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সুমন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তাক আহমেদ শাহীন, ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এনামুল হক হৃদয়/এআরবি