ময়মনসিংহে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীকে হত্যার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এতে ৩৮ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ২০-২২ জনকে আসামি করা হয়।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ভোরে ধোবাউড়া থানায় নিহতের ছেলে মো. সোলাইমান বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।
নিহত নজরুল ইসলাম (৪০) উপজেলা দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের রামসিংহপুর গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে।
অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুরো উপজেলাজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যায় ধোবাউড়া উপজেলার ঘোষগাঁও ইউনিয়নের এরশাদ বাজার এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডর ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন।
ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনী সহিংসতায় হত্যার ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. সোলাইমান বাদী হয়ে ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত পরিচয় আরও ২০-২২ জনকে আসামি করে থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। তবে এ অভিযোগে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহকে আসামি করা হয়নি।
ইতোমধ্যে এ ঘটনায় মো. আদম আলী (৫৪) ও মো. দুলাল মিয়া (৫৩) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বতর্মানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সূত্র জানায়, এই আসটিতে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সালমান ওমর। দীর্ঘদিন ধরেই দুই নেতা দুই মেরুতে অবস্থান করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করছিলেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, এরশাদ বাজার এলাকায় সালমান ওমরের একটি নির্বাচনি কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়। কার্যালয়টি উদ্বোধনের কিছুক্ষণ পর সন্ধ্যা ৬টার দিকে সেখানে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় কার্যালয়ের সামনে থাকা নজরুল ইসলামকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মো. আমান উল্লাহ আকন্দ/এএমকে