সংবাদ প্রকাশের পর ঠাকুরগাঁওয়ের সেই তহশিলদারকে শোকজ

নৈতিকতা লঙ্ঘন করে অর্থ গ্রহণ, সেবাগ্রহীতাকে হয়রানি, অবৈধভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া এবং বিকাশের মাধ্যমে লেনদেনের তথ্য সংবলিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মো. আবুল কালাম আজাদকে কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর
রুহুম আমীন।
তিনি জানান, সোমবার (২৬ জানুয়ারি) তহশিলদার আবুল কালাম আজাদের নামে এ নোটিশ জারি করা হয়। নোটিশে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে ‘ঘুষ না পেয়ে নামজারি বাতিল, তহশিলদারের বিরুদ্ধে জিডি’ শিরোনামে ঢাকা পোস্টে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
কারণ দর্শানো নোটিশে উল্লেখ করা হয়, মো. আবুল কালাম আজাদ সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে অনৈতিকভাবে অর্থ গ্রহণ, সেবাগ্রহীতাকে হয়রানি, অবৈধভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া এবং বিকাশের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে অভিযুক্ত। এসব অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় সরকারি দপ্তর ও ভূমি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে, যা অসদাচরণ এবং চাকরি শৃঙ্খলা পরিপন্থী।
নোটিশে আরও বলা হয়, উল্লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কেন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—সেই বিষয়ে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দিলে বিধি মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত তহশিলদার মো. আবুল কালাম আজাদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
রেদওয়ান মিলন/এমএএস