রোববার শেরপুরে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের জনসভা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আগামীকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) শেরপুর সফর করবেন।
দলীয় সূত্র জানায়, শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে শেরপুর শহরের শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন জামায়াত আমির।
এর আগে সকালে তিনি গত ২৮ জানুয়ারি ঝিনাইগাতীতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের কবর জিয়ারত করবেন। সকাল সাড়ে ১০টায় শ্রীবরদীতে তার কবর জিয়ারতের কথা রয়েছে। এরপর বেলা ১১টায় শেরপুর শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক মাঠে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন ডা. শফিকুর রহমান।
সূত্র জানায়, জনসভায় তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী অঙ্গীকার নিয়ে বক্তব্য দেবেন। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও প্রদান করবেন তিনি।
এদিকে জনসভাকে কেন্দ্র করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। জনসভা সফল করতে শেরপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।
শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি বিএনপির পরিকল্পিত হামলায় নিহত মাওলানা রেজাউল করিমের কবর জিয়ারত করবেন জামায়াত আমির। পাশাপাশি শেরপুরের তিনটি সংসদীয় আসন বিজয়ের লক্ষ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন তিনি। দেশের জনগণ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করে।
তিনি আরও বলেন, এই প্রত্যাশা পূরণে জামায়াতে ইসলামী শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শেরপুরের জনসভা থেকে জনগণের অধিকার ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বার্তা তুলে ধরা হবে।
শেরপুরের পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম বলেন, আগামীকাল শেরপুরে একটি বড় জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। জনসভাকে ঘিরে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে, গুরুত্বপূর্ণ ও উঁচু ভবনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ প্রতিটি মোড়ে মোড়ে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। জনসভাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কা নেই।
নাইমুর রহমান/আরকে