যশোরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর বাড়িতে ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগ

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলীর বাসভবনে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে কেশবপুর পৌর জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন দাঁড়িপাল্লার প্রতীকের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট সাইদুর রহমান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গতরাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলী স্যারের নিজ বাসভবনে হাতবোমা/ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। আমরা এই কাপুরুষোচিত, পরিকল্পিত ও ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এই হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি কেশবপুরে আইনশৃঙ্খলার অবনতির একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচনী পরিবেশকে আতঙ্কিত করা, সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখানো এবং একটি জনপ্রিয় প্রার্থীকে দমিয়ে রাখার জন্য এই ধরনের সন্ত্রাসী কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি।
তিনি আরও বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই হামলা শুধু একজন প্রার্থীর ওপর নয়, এটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ওপর সরাসরি আঘাত। এটি সংবিধান, গণতন্ত্র এবং জনগণের ভোটাধিকারকে চ্যালেঞ্জ করার শামিল।
তিনি দাবি করে বলেন, এই সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে। ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে, ঘটনার নেপথ্যে যারা তাদেরকে শনাক্তপূর্বক দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। কেশবপুরে নির্বাচনী সময়কালে ভোটার, প্রার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের সব অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করতে হবে। আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করছি, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভোটারদের এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মনোবল নষ্ট করা যাবে না, বরং কেশবপুরের মানুষ এ ধরনের ভয়ভীতিকে উপেক্ষা করে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিবে। সব ষড়যন্ত্র ও হুমকির পরও জনগণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলীকে বিজয়ী করবে, ইনশাআল্লাহ।
রেজওয়ান বাপ্পী/আরকে