ফরিদপুরে দুই কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা প্রত্যাহার

ফরিদপুর-১ ও ফরিদপুর-৩ সংসদীয় আসনের সদর উপজেলা ও মধুখালী উপজেলার দুটি কেন্দ্র থেকে দুজন প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে তাদের প্রত্যাহার করে রাতেই নতুন দুই কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে বেআইনিভাবে বহিরাগতদের অনুপ্রবেশের অভিযোগে তাদের প্রত্যাহার করেন ফরিদপুরের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মোল্লা।
প্রত্যাহারকৃত কর্মকর্তারা হলেন, ফরিদপুর-৩ (সদর উপজেলা) আসনের শহরের হিতৈষী উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. আল আমিন ও ফরিদপুর-১ (আলফাডাঙ্গা-বোয়ালমারী-মধুখালী) আসনের গাজনা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আশাপুর সিনিয়র দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের জাহিদুল ইসলাম। আল আমিন অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার এবং জাহিদুল ইসলাম মধুখালী সরকারি আইনউদ্দীন কলেজের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
নতুন নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন, হিতৈষী উচ্চবিদ্যালয়ে, ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রভাষক সোহানুর রহমান ও আশাপুর সিনিয়র দাখিল মাদ্রাসায় মধুখালী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস।
এ তথ্য নিশ্চিত করে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিন্টু বিশ্বাস বলেন, আশাপুর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লার সাথে কেন্দ্রের একটি কক্ষে দেখা করেন। এলাকাবাসী বিষয়টি টের পেয়ে কেন্দ্রের সামনে অবস্থান নিলে তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়। অন্যদিকে, হিতৈষী স্কুল কেন্দ্রে রাতের আঁধারে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন জেলা জামায়াতের শুরা সদস্য প্রফেসর বিল্লাল। এ নিয়ে হট্টগোল হলে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
জহির/এমআর