জয়পুরহাটে ৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

জয়পুরহাটের দুটি সংসদীয় আসনে ভোটের লড়াইয়ে বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়ে জামানত হারাচ্ছেন চারজন প্রার্থী। জয়পুরহাট-১ আসনে স্বতন্ত্র ও বামপন্থীসহ তিনজন এবং জয়পুরহাট-২ আসনে দলীয় একজন প্রার্থী ন্যূনতম ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছেন।
জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ফজলুর রহমান সাঈদ ১ লাখ ৬৫ হাজার ১৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাসুদ রানা প্রধান পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৯ ভোট। তবে নির্বাচনী লড়াইয়ে বড় দলগুলোর ধারের কাছেও ভিড়তে পারেননি স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার (ঘোড়া), তৌফিকা দেওয়ান (কাঁচি) ও ওয়াজেদ আলী (মই)।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আল-মামুন মিয়া স্বাক্ষরিত ফলাফল অনুযায়ী, এই আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ৪১ হাজার ৫৫৬টি। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী জামানত রক্ষায় এক-অষ্টমাংশ বা সাড়ে ১২ শতাংশ অর্থাৎ ৪২ হাজার ৬৯৪ ভোটের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সাবেকুন নাহার পেয়েছেন ১৩ হাজার ২৮৬ ভোট, বাসদ-মার্কসবাদী প্রার্থী তৌফিকা দেওয়ান পেয়েছেন ৬১৭ ভোট এবং বাসদ প্রার্থী ওয়াজেদ আলী পেয়েছেন ৫৭৮ ভোট। ফলে তারা তিনজনই জামানত হারাচ্ছেন।
অন্যদিকে, জয়পুরহাট-২ (আক্কেলপুর, ক্ষেতলাল ও কালাই) আসনে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল বারী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এসএম রাশেদুল আলম পেয়েছেন ৯২ হাজার ৫১৭ ভোট। এখানে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জামায়াতকে সমর্থন দিয়ে মাঠ ছাড়া এবি পার্টির এসএ জাহিদ পেয়েছেন মাত্র ১ হাজার ৫৫৫ ভোট। এই আসনে মোট ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৬০টি ভোট পড়ায় জামানত রক্ষার জন্য ন্যূনতম ৩২ হাজার ২৭০ ভোটের প্রয়োজন ছিল। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে না পারায় জাহিদের জামানতও সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
চম্পক কুমার/এসএইচএ