বিষমুক্ত রঙিন ফুলকপি চাষে লাভবান ঝিকরগাছার আলমগীর

বিষমুক্ত রঙিন ফুলকপি চাষে লাভবান হয়েছেন মো. আলমগীর হোসেন নামে এক চাষি। মাত্র ২০ শতক জমিতে রঙিন ফুলকপি চাষে এ বছর অন্তত ৩০ হাজার টাকা লাভ করেন। আলমগীর হোসেন যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার মোহিনীকাঠি গ্রামের মো. আহাদ আলীর ছেলে।
আলমগীর আড়াই মাস আগে মোহিনীকাঠি মাঠে ২০ শতক জমিতে ইউনাইটেড (শিলা) জাতের পাঁচ রঙের ফুলকপি চারা লাগান। জমি প্রস্তুত, সেচ ও বালাইনাশক ছেটানো বাবদ তার মোট খরচ হয়েছিল পাঁচ হাজার টাকা। মাস খানেক ধরে ক্ষেত থেকে রঙিন ফুলকপি তুলছেন তিনি। রঙিন ফুলকপি অন্যান্য সবজির চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি পুষ্টিকর। তাছাড়া জৈব সার ও জৈব বালাইনাশক দিয়ে চাষ করায় এ ফুলকপির বাজারে কদর বেশি থাকায় দামও বেশি।
আলমগীর হোসেন বলেন, ‘ক্ষেত থেকে গত ২০-২৫ দিনে ৩০ হাজার টাকার রঙিন ফুলকপি বিক্রি করেছি। প্রতি কেজি গড় পাইকারি বিক্রি করেছি ৩৫-৪০ টাকা করে। প্রতিটি দেড় থেকে দুই কেজি করে ওজন হয়েছে। আলমগীর আরও বলেন, আমি ক্ষেতে ভার্মি কম্পোস্ট সার (কেঁচো সার) ও জৈব বালাইনাশক দিয়ে চাষ করেছি। ক্ষেতে হলুদ ফাঁদ ও সেক্সফেরোমন ট্রাপ দিয়েছি। সম্পূর্ণ বিষমুক্তভাবে চাষ করায় এর স্বাদ ও রং ভিন্ন।’
ঝিকরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, ‘যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আওতায় আলমগীর হোসেনকে রঙিন ফুলকপির চারা, সার, আন্তঃপরিচর্যা খরচ ও জৈব বালাইনাশক দেওয়া হয়েছে। এ চাষ করে কৃষক লাভবান হয়েছেন। জৈব সার ও বালাইনাশক ব্যবহারে সবজির মান ও রঙ ভালো উজ্জ্বল হয়। তাছাড়া, রঙিন ফুলকপিতে পুষ্টিগুণ বেশি থাকায় এটা শরীরের জন্য ভালো।’
রেজওয়ান বাপ্পী/আরকে