লাথি মেরে কিশোরকে হত্যা, মরদেহ ফেলে দেওয়া হয় খালে

বরিশালের হিজলায় স্কুলছাত্রকে লাথি মেরে হত্যা করে মরদেহ খালে ফেলে দেয় বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকারোক্তি দিয়েছে প্রতিবেশী যুবক মোশারফ। হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে ওই যুবকের দেওয়া স্বীকারোক্তির একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার হিজলা উপজেলার চরবিশোর গ্রামে।
শুক্রবার(২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয়রা হত্যাকারীকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বলে বরিশালের সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ১৩ বছর বয়সী কিশোর আরিফ রাঢ়ী উপজেলার হিজলা-গৌরব্দী ইউনিয়নের চরবিশোর গ্রামের বাসিন্দা আনিছ রাঢ়ীর ছেলে। তাকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার মোশারফ বয়াতি (২৬) প্রতিবেশী শাহজালাল বয়াতির ছেলে।
গ্রেপ্তার মোশারফের বরাতে সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না বলেন, বৃহস্পতিবার এশার নামাজের আগে মোশারফের ঘরে যায় আরিফ। তখন মোশারেফকে খাটে শোয়া দেখে আরিফ তাকে নামাজ পড়তে যাওয়ার জন্য উঠতে বলে। কিন্তু মোশারফ উঠতে না চাইলে আরিফ তাকে একটি চড় দেয়। এ সময় মোশারফ রেগে আরিফের বুকের ওপর লাথি দেয়। এতে ঘটনাস্থলে আরিফের মৃত্যু হয়েছে। পরে মোশারফ তার মরদেহ বাড়ির পাশে খালে ফেলে দেয়।
স্থানীয়রা বলেন, শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে আরিফের মরদেহ খালের পাড়ে পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা। তারা আরিফকে হত্যার ঘটনায় মোশারফ জড়িত সন্দেহ করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন মোশারফ তাকে হত্যার কথা স্বীকার করে। ওই স্বীকারোক্তির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ঘটনায় মোশারফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর আরিফের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছ। এছাড়া মোশারফের মাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি। মামলায় মোশারফের মাকে আসামি করা হলে তাকেও গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আরিফ হোসেন/এসএইচএ