বিএনপির নাম ভাঙিয়ে দোকান দখল, এমপি নয়নের হস্তক্ষেপে উদ্ধার

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় বিএনপির নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবি করে দখল করে রাখা একটি দোকান অবশেষে উদ্ধার হয়েছে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নর হস্তক্ষেপে। দীর্ঘদিন ধরে দখলে থাকা দোকানটি যুবদল নেতাকর্মীরা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে বুঝিয়ে দিলে স্বস্তি ফিরে আসে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের তুলাতুলি বাজারে অবস্থিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি উদ্ধার করা হয়। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর নাম মাহে আলম। তিনি ওই একই এলাকার বাসিন্দা।
জানা গেছে, বিগত কয়েক বছর ধরে ওই একই জায়গায় ব্যবসা করে আসছিল ভুক্তভোগী মাহে আলম। কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মাহে আলমকে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করে বিএনপি নাম ভাঙিয়ে স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতিকারী। ভুক্তভোগী ওই ব্যবসায়ী সম্প্রতি বিষয়টি ভোলা-৪ আসনের (চরফ্যাশন-মনপুরা) সংসদ সদস্য ও যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় যুবদলকে নির্দেশ দিলে যুবদলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়ে দখলকৃত দোকানটির তালা ভেঙে প্রকৃত মালিককে দোকানটি বুঝিয়ে দেন।
চরফ্যাশন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম রাসেল ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিএনপির নাম ভাঙিয়ে দুষ্কৃতিকারীরা ওই জায়গা এবং দোকানটি দখল করে রেখেছিল। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী স্থানীয় সাংসদকে জানালে তার নির্দেশে আমরা ভুক্তভোগীর জায়গা এবং দোকানটি দখলমুক্ত করে দিয়েছি। নির্বাচনের পূর্বেই ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নয়ন ভাই ভোটারদের কথা দিয়েছিল তার এলাকায় কোনো জুলুমবাজ, চাঁদাবাজ ও দখলদারের স্থান হবে না,তাদের ঠিকানা হবে কারাগার। এছাড়া দখলবাজদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে স্থানীয় যুবদল।
দখলকৃত দোকান ফিরে পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে ব্যবসায়ী মাহে আলম ও তার ছেলে বলেন বিএনপির নাম ভাঙিয়ে আমাদের কাছে চাঁদা দাবি করেছিল স্থানীয় রুবেল পাটোয়ারী এবং হান্নান। তাদেরকে চাঁদা না দেওয়ায় তারা ২০-২৫ জনের দলবল নিয়ে এসে আমাদের দোকান তালা দিয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয় সাংসদকে জানালে তিনি আমাদের দোকান দখলমুক্ত করে দিয়েছেন, এতে আমরা খুশি।
খাইরুল ইসলাম/আরকে