কোনো রাজনৈতিক বিবেচনায় ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়নি

রাজবাড়ীতে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং পর্যায়ে উপকারভোগীদের মাঝে কার্ড হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় জেলার পাংশা উপজেলা পরিষদ চত্বরে জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে উপকার ভোগীদের মাঝে কার্ড হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। পাইলট প্রকল্পের প্রথম ধাপে রাজবাড়ীতে ১২০১টি পরিবারের মাঝে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করা হয়।
জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ও রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদ বক্তব্য দেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু সালেহ মোহাম্মদ আলী আহসান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাভোকেট লিয়াকত আলী বাবু, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব অধ্যক্ষ এবিএম মঞ্জুরুল আলম দুলাল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, কালুখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. লুৎফর রহমান, পাংশা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. চাঁদ আলী খান, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান রাজা, বালিয়াকান্দি উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জাফর আলী মিয়া, উপকারভোগী শাহানা খাতুন, মোছা. রহিমা খাতুন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিফাতুল হক।
জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের জন্য প্রথম ধাপে পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের চর ঝিকড়ি গ্রামের ১ হাজার ৮২৬টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি দেওয়ার পর ১ হাজার ৪০৪ জন কনফার্ম হয়েছে। বাকিগুলো ত্রুটির কারণে হয়তো বাদ পড়েছে। ঈদের আগে ১ হাজার ৪০৪ জনের মধ্যে ১২০১ জন টাকা পাবে। বাকি ২০৩ জনে কারিগরি জটিলতার কারণে আটকে গেছে। জটিলতা কেটে গেলে তারাও ঈদের আগে টাকা পাবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জন্য ঐতিহাসিক দিন। আমরা যেমন নারীকে সম্মান করেছি, নারীর শ্রমকে সম্মান করেছি এবং অর্থনৈতিক ভিত্তি স্থাপনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করেছি। আপনারা লক্ষ্য করেছেন একটা বড় রকমের গণজাগরণ শুরু হয়েছে। কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা বা বাচ-বিচারের মাধ্যম এই কার্ড দেওয়া হয়নি। এই কার্ডটা সর্বজনীন। আমরা হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত দিয়ে শুরু করেছি। ভবিষ্যতে ৪ কোটি পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনব।
মীর সৌরভ/আরএআর