পাটুরিয়ায় ডুবে যাওয়ার ১৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার তেলবাহী লরি

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া ফেরিঘাটের তীরবর্তী এলাকায় ২৪ হাজার লিটার পামওয়েলসহ একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়। এর এক পর্যায়ে লরিটি নদীর পানিতে ডুবে যায়। এ ঘটনার ১৬ ঘণ্টার পর বিআইডব্লিউটিএ, টিসি ও ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকারী জাহাজের প্রচেষ্টায় ডুবে যাওয়া লরিটি উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পাটুরিয়া ফেরিঘাটের ৫নং ঘাটপ্টুন এলাকা থেকে ডুবে যাওয়া লরিটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিআইডব্লিউটিএ’র আরিচা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল আলম।
জানা গেছে, গতকাল বুধবার (১১ মার্চ) রাতে সাড়ে ৮টার দিকে পাটুরিয়া ৫নং ফেরি ঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে লরির চালক ও হেলপারকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ডুবে যাওয়া তেলবাহী লড়িটি ঝিনাইদহ-ঢ ৪১-০০৪২ নম্বরের দশ চাকার। লরিটি যশোর থেকে ২৪ হাজার লিটার সয়াবিন নিয়ে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। পথে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ফেরিতে করে নদী পার হয়ে পাটুরিয়া ঘাটে নামে। ফেরি থেকে পন্টুন হয়ে সড়কে ওঠার সময় ঢালু পথে লরিটির ব্রেক হঠাৎ বিকল হয়ে যায়। এতে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছনের দিকে সরে গিয়ে সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে লরির চালক শরীফ ও তার সহকারীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এদিকে ঘটনার পর পরই ডুবে যাওয়া লরিটি উদ্ধারে কাজ শুরু করেছে বিআইডব্লিউটিএ ও টিসি ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। উদ্ধাকারী জাহাজ হমজা পদ্মায় নিমজ্জিত লড়িটি উদ্ধার অভিযান পরিচলনা করে। দীর্ঘ ১৬ ঘণ্টা চেষ্টার লরিটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয় উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার পর পরই খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী। ডুবে যাওয়া লরির চালক ও সহযোগিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। লরিটি উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দীর্ঘ সময় নিরলসভাবে কাজ করেছেন বলে জানান।
বিআইডব্লিউটিএর আরিচা কার্য়লয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল আলম বলেন, ‘ফেরিঘাটের ৫নং ঘাটপন্টুন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তেলবাহী লরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। লরিতে থাকা ২৪ হাজার সয়ারিন তেলের ক্ষতি হয়নি বলে তিনি জানান।’
সোহেল হোসেন/আরকে