• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

  1. সারাদেশ
  2. রাজবাড়ী
ঘাট সংকট ও সড়কের বেহাল দশা

ঈদ যাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধিরাজবাড়ী
১৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩৪
অ+
অ-
ঈদ যাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে

ঈদ যাত্রায় ভোগান্তির আশঙ্কা রয়েছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে। ফেরিঘাট সংকট, সীমিত সক্ষমতা, ফেরির স্বল্পতা, সংযোগ সড়কের বেহাল দশা ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে পারেন এই রুট দিয়ে চলাচলকারী যাত্রী ও চালকরা।

বিজ্ঞাপন

ঘাট সংশ্লিষ্টরা জানান, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ঈদের আগে ও পরে যাত্রীসংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। কিন্তু সেই তুলনায় ফেরি সংখ্যা ও ঘাটের সক্ষমতা বাড়ানো হয়নি।

জানা গেছে, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যানবাহন ও যাত্রীর চাপ অনেকটা কমেছে। তবে ঈদের ছুটিতে স্বাভাবিকের চেয়ে বাড়তি চাপ থাকে এই নৌরুটে। এরই মধ্যে কমেছে পদ্মার পানি। কোথাও কোথাও রয়েছে ডুবোচর। দৌলতদিয়া প্রান্তে থাকা ৭টি ফেরিঘাটের মধ্যে  ৩,৪ ও ৭ সহ মোট ৩টি ঘাট সচল রয়েছে। বাকি চারটি ঘাট বন্ধ রয়েছে কয়েক বছর ধরে। সচল থাকা ঘাটগুলোর পন্টুন থেকে পানির স্তর নিচে নেমে গেছে।এতে পন্টুনের সংযোগ সড়ক মূল নদী থেকে আরো উঁচু হয়ে গেছে। এ অবস্থায় যানবাহন ওঠানামা করতে বেগ পেতে হচ্ছে। মাঝেমধ্যেই পন্টুন থেকে সংযোগ সড়কে উঠতে গিয়ে গাড়ি ফেঁসে যাচ্ছে। এতে করে কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকছে ঘাটটি। মাঝে মাঝে গাড়ি তুলতে র‌্যাকারের সাহায্য নিতে হচ্ছে। পণ্যবাহী ট্রাকচালকদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

যাত্রী ও যানবাহন চালকরা বলছেন, দ্রুত এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না নিলে ঈদে ভোগান্তির কারণ হতে পারে এ নৌপথ। তবে ঘাট কর্তৃপক্ষ বলছে, ঈদে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সরজমিনে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, দৌলতদিয়ার ৭টি ফেরি ঘাটের মধ্যে সচল রয়েছে ৩টি ঘাট। তিনটি ঘাটের ৮টি পকেট দিয়ে গাড়ি লোড-আনলোত হচ্ছে। মূল সড়ক থেকে পন্টুনে যাওয়ার সংযোগ সড়কগুলোর বেহাল দশা। যে কোনো যানবাহন গেলেই ধুলোবালিতে জর্জরিত হয়ে যাচ্ছে পুরো এলাকা। এতে যাত্রী, যানবাহন চালকসহ অন্যান্যদের ভোগান্তি হচ্ছে। সচল থাকা ঘাটগুলোর পন্টুন নদীর পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় যানবাহন ওঠানামা করতে সময় লাগছে বেশি। দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে দেখা যায় ঘাটের পন্টুন থেকে সংযোগ সড়ক অনেকটা খাড়া। সেখানে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দুটি তেলবাহী লড়ি উপড়ে উঠতে না পেড়ে পন্টুনে আটকে আছে। এতে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ঘাটটি বন্ধ হয়ে পড়ে আছে।

ফেরিঘাটে থাকা বেশ কয়েকজন যাত্রী বলেন, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ঘাট সংকটের কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি হবে। সাতটি ঘাটের মধ্যে তিনটি ঘাট সচল রয়েছে। ঈদের সময় যে কোনো একটি ঘাট নষ্ট হয়ে গেলে যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়বে বহুগুণ। এ ছাড়া ফেরিঘাট থেকে যাত্রীবাহী বাস ও ব্যাটারিচালিত মাহেন্দ্র ভাড়া বেড়ে যায়। এসব রোধে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

আরও পড়ুন
সোয়া এক ঘন্টা বন্ধ থাকার পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু
শেবাচিমে দুই রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় দুই নার্স বরখাস্ত, তদন্ত কমিটি গঠন
আজ পবিত্র শবে কদর

বিজ্ঞাপন

রয়েল এক্সপ্রেস বাসের হেলপার সবুজ সরদার বলেন, ঈদে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যানবাহন ও যাত্রীর চাপ বাড়ে। কিন্তু এই নৌরুটের ভোগান্তির কারণ হবে ঘাটগুলো। কারণ উভয় প্রান্তেই ঘাট সংকট রয়েছে, আবার যেগুলো সচল রয়েছে সেগুলোর অবস্থাও খুব ভালো না। যার কারণে অনেক গাড়ি এখন পদ্মা সেতু হয়ে চলাচল করে।

৭নং ফেরিঘাটে কথা হয় পেয়ারা বিক্রেতা বরকত শেখের সঙ্গে। ঘাটের সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, দৌলতদিয়ায় তিনটি ঘাট সচল রয়েছে। ঈদের সময় যদি একটি ঘাট কোনো কারণে বন্ধ হয়ে যায় তাহলে দুটি ঘাট দিয়ে চাপ সামলানো কষ্ট হয়ে যাবে। ফেরি আসবে ঘাট পাবে না, এতে যানবাহন ও যাত্রীদের ভোগান্তি হবে। ঈদের সময় ঘাট সচল করার জন্য কর্তৃপক্ষ যারা আছেন তারা নজর দিলে এর সমাধান হতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ঈদের সময় ছিনতাই বাড়তে পারে। ঘাটে বর্তমানে কোনো নিরাপত্তা নাই। ঘাটের সিসি ক্যামেরা সব নষ্ট। তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত বাস ভাড়া বিষয়ে বাস মালিক সমিতির অনৈতিক প্রস্তাবের কাছে হার মেনে যায় প্রশাসন। যে কারণে যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হয়। ব্যাটারি ইজিবাইক, মাহিন্দ্র ইচ্ছেমতো ভাড়া নেয়।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহা ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন বলেন, ঈদে যানবাহন ও যাত্রী পারাপারের জন্য দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৬টি ফেরি চলাচল করবে। এ ছাড়া, ৭টি ঘাটের মধ্যে ৩,৪ ও ৭ নম্বর ঘাট সচল রয়েছে। ঈদের আগে ও ঈদ-পরবর্তী সময়ে বহরে থাকা ১৬টি ফেরি ও সচল থাকা তিনটি ঘাট দিয়ে নির্বিঘ্নে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার করা হবে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ বলেন, ঈদে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় যানবাহন ও যাত্রীর চাপ বেড়ে যায়। ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের বাড়ি ফেরা ও ঈদ-পরবর্তীতে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে পুলিশ কাজ করবে। পুলিশের মোবাইল পেট্রল, ফিক্সড পেট্রল ও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা গলোতে চেকপোস্ট থাকবে। এ ছাড়া, ঘাট এলাকায় পোশাকে, সাদা পোশাকে, ডিবি পুলিশ নিয়োজিত থাকবে। ঘাট এলাকাতে নৌপুলিশ নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত থাকবে।

মীর সামসুজ্জামান সৌরভ/এএমকে

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

জনদুর্ভোগঈদুল ফিতর

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

ঈদ উপলক্ষ্যে বুড়িমারী স্থলবন্দরে ১১ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

ঈদ উপলক্ষ্যে বুড়িমারী স্থলবন্দরে ১১ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

ঈদে কারাবন্দিদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে

ঈদে কারাবন্দিদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে

ঈদের আগে সরকারি চাকরিজীবীদের শেষ কর্মদিবস আজ

টানা ৭ দিনের ছুটিঈদের আগে সরকারি চাকরিজীবীদের শেষ কর্মদিবস আজ

ঈদ ফিরতি ট্রেনযাত্রার চতুর্থ দিনের টিকিট বিক্রি শুরু আজ

ঈদ ফিরতি ট্রেনযাত্রার চতুর্থ দিনের টিকিট বিক্রি শুরু আজ