ঈদের ছুটিতে সাতক্ষীরার যেসব স্থানে ঘুরতে পারেন

একদিকে বিস্তীর্ণ সবুজ সুন্দরবন, অন্যদিকে সীমান্তঘেঁষা নদীর নীরব সৌন্দর্য ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ভ্রমণপিপাসুদের কাছে নতুন করে ডাক দিচ্ছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা। ঈদকে ঘিরে জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে নেওয়া হয়েছে প্রস্তুতি। প্রশাসন বলছে, ভ্রমণ হবে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক।
বিজ্ঞাপন
প্রকৃতি, ইতিহাস ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এ জনপদে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, প্রাচীন মসজিদ-মন্দির, নদীকেন্দ্রিক ইকো ট্যুরিজম স্পট এবং আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র। তাই ঈদের ছুটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বল্প সময়ে বৈচিত্র্যময় ভ্রমণের জন্য সাতক্ষীরা হতে পারে আকর্ষণীয় গন্তব্য।
সড়কপথে সুন্দরবন
জেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। আর সেখানে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে কলাগাছিয়া ইকো ট্যুরিজম সেন্টার। জেলা শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এ পর্যটনকেন্দ্রে সড়কপথে বাস, মাইক্রোবাস কিংবা মোটরসাইকেলে পৌঁছানো যায়। নির্দিষ্ট ঘাট থেকে নদীপথে নৌকায় করে যেতে হয় কলাগাছিয়া স্পটে। কেন্দ্রটি সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এখানে রয়েছে উঁচু ওয়াচ টাওয়ার, ম্যানগ্রোভ বনের ভেতর কাঠের হাঁটার ট্রেইল এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগের সুযোগ। ঈদের ছুটিতে প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এটি হতে পারে অনন্য গন্তব্য।
বিজ্ঞাপন
ভ্রমণে সরকারি নির্ধারিত রাজস্ব প্রদান করতে হয়। অবস্থান ফি ৩১৫ টাকা এবং জনপ্রতি ৪৬ টাকা সরকারি রাজস্ব দিতে হয়। দ্বিতীয় জন থেকে কেবল ৪৬ টাকা করে জনপ্রতি যুক্ত হয়। এছাড়া কলাগাছিয়া স্পটে যেতে নদীপথে বোর্ড (নৌকা) ভাড়া লাগে ২ হাজার টাকা। একটি নৌকায় সর্বোচ্চ ২০ জন যাত্রী যেতে পারবেন। বোর্ড প্রতি গাইড ফি ২০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়। সে হিসেবে ২০ জন পর্যটকের ক্ষেত্রে জনপ্রতি ৪৬ টাকা হিসাবে সরকারি রাজস্ব দাঁড়ায় ৯২০ টাকা, এর সঙ্গে অবস্থান ফি ৩১৫ টাকা যোগ হলে মোট সরকারি ফি হয় ১ হাজার ২৩৫ টাকা। এর সঙ্গে নৌকা ভাড়া ২ হাজার টাকা এবং গাইড ফি ২০০ টাকা যোগ করলে মোট খরচ দাঁড়ায় ৩ হাজার ৪৩৫ টাকা। দলবদ্ধভাবে গেলে জনপ্রতি খরচ তুলনামূলক কম পড়ে, ফলে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে একসঙ্গে ভ্রমণ করলে এটি বেশ সাশ্রয়ী হয়।
সুন্দরবন ভ্রমণে পর্যটকদের আকর্ষণ করছে আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টার। শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ কলবাড়ী এলাকায় নদীর তীরে গড়ে ওঠা এ কেন্দ্রটিতে প্রবেশ টিকিট ২০ টাকা। এখানে রয়েছে গেস্ট হাউস (রুম ভাড়া ১,৫০০ টাকা থেকে শুরু), ফিশ মিউজিয়াম ও উঁচু ওয়াচ টাওয়ার যেখান থেকে সুন্দরবনের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

একই পথে শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর এলাকায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী যশোরেশ্বরী কালী মন্দিরও ঘুরে আসতে পারেন। এটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি প্রাচীন তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। মন্দিরে প্রবেশের জন্য কোনো নির্ধারিত টিকিট প্রয়োজন হয় না। তবে পূজা বা বিশেষ উৎসবের সময় দর্শনার্থীদের ভিড় বেশি থাকে। ফলে সুন্দরবন ভ্রমণের সঙ্গে ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক এই স্থানটিও দেখা যেতে পারে।
বিজ্ঞাপন
রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র
সাতক্ষীরা সদর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীর তীরে উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে গড়ে উঠেছে রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক পরিবেশ, নদীর তীর আর সবুজে ঘেরা এ কেন্দ্রটি ইতোমধ্যে দর্শনার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রবেশ টিকিট মাত্র ২০ টাকা। এখানে যানবাহন রাখার সুব্যবস্থাও রয়েছে। সাতক্ষীরা সদর থেকে প্রথমে সখিপুর বাজার, সেখান থেকে দেবহাটা সদর হয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পৌঁছানো যায় পর্যটনকেন্দ্রে। সড়কপথে বাস, মাইক্রোবাস কিংবা মোটরসাইকেলে সহজেই যাওয়া সম্ভব। এখানে এসে সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীতে নৌকায় করে ঘোরার সুযোগও রয়েছে।
এ কেন্দ্রের পাশেই দেবহাটা সদরে রয়েছে ঐতিহাসিক প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো বটগাছ এবং টাউনশ্রীপুর জমিদার বাড়ি, যা ভ্রমণকে আরও সমৃদ্ধ করে। এক সফরেই প্রকৃতি, ইতিহাস ও সীমান্তের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে দেবহাটা হতে পারে উপযুক্ত গন্তব্য।
ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান নলতা শরীফ
ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান নলতা শরীফ কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা মোবারকনগর গ্রামে অবস্থিত। সাতক্ষীরা সদর থেকে প্রায় ২৭ কিলোমিটার দূরে এই স্থানটি ঘুরে দেখা যায়। জেলা থেকে সরাসরি নলতা বাজার হয়ে নলতা শরীফে পৌঁছানো যায়। বাজার থেকে নলতা শরীফ পর্যন্ত মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। এখানে বাস, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল সব ধরনের যানবাহনের মাধ্যমে যাওয়া সম্ভব।

নলতা শরীফে জন্মগ্রহণ করেছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সুফি সাধক খান বাহাদুর আহছানউল্লা (১৮৭৩–১৯৬৫)। তিনি ১৯৩৫ সালে এখানে কেন্দ্রীয় আহছানিয়া মিশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমানে এটি ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্বে ভ্রমণপিপাসু ও দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ বহন করে। প্রবেশ ফ্রি। বিশেষ ওরস বা অনুষ্ঠানকালে ভিড় বেশি থাকে, তাই পর্যটকদের সময়মতো আগমন করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তেঁতুলিয়া শাহী জামে মসজিদ
সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে অবস্থিত তেঁতুলিয়া শাহী জামে মসজিদ জেলার অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন। তালা উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই মসজিদটি স্থানীয়ভাবে ‘মিয়ার মসজিদ’ বা ‘তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ’ নামেও পরিচিত। খান বাহাদুর সালামতুল্লাহ মসজিদ নামেও এর পরিচিতি রয়েছে।
জেলা শহর সাতক্ষীরা থেকে মসজিদটির দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার। সেখানে যেতে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর থেকে বাস অথবা মাহিন্দ্রা যোগে পাটকেলঘাটা ওভারব্রিজ পর্যন্ত পৌঁছাতে হয়। সেখান থেকে মাহিন্দ্রা, ইজিবাইক বা মোটরসাইকেলে তালা সদরে এসে, পরে ভ্যান বা স্থানীয় পরিবহনে তালা-পাইকগাছা সড়ক ধরে সহজেই তেঁতুলিয়া শাহী মসজিদে পৌঁছানো যায়। মুঘল স্থাপত্যশৈলীর অনুকরণে নির্মিত ছয় গম্বুজবিশিষ্ট এই মসজিদটি কেবল একটি উপাসনালয় নয়, বরং তৎকালীন জমিদার পরিবারের আভিজাত্য ও শিল্পরুচির প্রতীক। এর নির্মাণশৈলীতে মুঘল আমলের নকশা ও কারুকার্যের প্রভাব স্পষ্টভাবে লক্ষ করা যায়। স্থাপত্যের গাম্ভীর্য, দেয়ালের অলংকরণ এবং গম্বুজের বিন্যাস দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
মোজাফফর গার্ডেন অ্যান্ড রিসোর্ট
সাতক্ষীরা শহর থেকে মাত ৫ কিলোমিটার দূরে খড়িবিলা এলাকায় অবস্থিত এই রিসোর্টটি স্থানীয়ভাবে ‘মন্টু সাহেবের বাগান বাড়ি’ নামেও পরিচিত। প্রায় ১২০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা খোলামেলা ও সবুজ পরিবেশের এ স্থানে রয়েছে ৬০টির বেশি আধুনিক কক্ষ, লেক, প্যাডেল বোট, সুইমিং সুবিধা ও মাছ ধরার সুযোগ। সাতক্ষীরা শহর থেকে ইজিবাইক, ভ্যান অথবা মোটরসাইকেল যোগে সহজে যাওয়া যায়। সেখানে প্রবেশ টিকিট মাত্র ৫০ টাকা। সেখানে রয়েছে, শিশুদের জন্য খেলার মাঠ ও বেসরকারি চিড়িয়াখানা, বড়দের জন্য পিকনিক স্পট, কনফারেন্স রুম ও আবাসিক কটেজ। পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে স্বল্প সময়ে ঘুরে আসার জন্য এটি একটি জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র।
বাঁকাল ডিসি ইকো পার্ক
সাতক্ষীরা শহরের কোলাহল ও ব্যস্ত নাগরিক জীবনের ক্লান্তি দূর করে স্বস্তির নিশ্বাস নিতে শহরের পাশেই গড়ে তোলা হয়েছে সৌন্দর্যে ঘেরা বাঁকাল ডিসি ইকো পার্ক। ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি পার্কটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এরপর ধাপে ধাপে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কাজের মাধ্যমে পার্কটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হয়েছিল, প্রতিদিন বিকেলে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকেই এখানে সময় কাটাতে আসেন। পার্কে রয়েছে পাকা হাঁটার পথ, ফুলের বাগান, দর্শনার্থীদের বসার জন্য গোল চত্বরসহ নানা অবকাঠামো। শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে ‘শিশু কর্নার’, যা ছোটদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ।

এখানে প্রবেশ টিকিট মাত্র ১০ টাকা এবং পার্কটি প্রতিদিন বিকেল ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। সাতক্ষীরা শহর থেকে ইজিবাইক, ভ্যান বা মোটরসাইকেল যোগে সহজেই যাওয়া যায়। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনের ব্রিজ পার হয়ে বাম পাশের রাস্তা ধরে কয়েক মিনিট এগোলেই চোখে পড়বে সবুজে ঘেরা এই মনোরম পার্ক। সব মিলিয়ে শহরের কাছে স্বল্প সময়ে ঘুরে আসার জন্য এটি একটি শান্ত ও সম্ভাবনাময়।
সাতক্ষীরা লেক ভিউ ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট
সাতক্ষীরার জনপ্রিয় বিনোদনকেন্দ্র লেক ভিউ ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট লেকের মাঝখানে গড়ে ওঠা এক ব্যতিক্রমধর্মী স্থাপনা, যার চারপাশ জুড়ে পানির মনোরম দৃশ্য। নিচতলায় রয়েছে খাবারের রেস্টুরেন্ট, দ্বিতীয় তলায় শিশুদের জন্য কিডস জোন এবং তৃতীয় তলায় সন্ধ্যায় বারবিকিউ আয়োজনের জায়গা। সাতক্ষীরা শহর থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে হওয়ায় খুব সহজেই এখানে পৌঁছানো যায়।
লেকের চারপাশে হাঁটার জন্য সুপরিসর রাস্তা রয়েছে, যার দুই পাশে সারি সারি নারিকেল গাছ পরিবেশকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। রয়েছে সেলফি জোন, বসার বেঞ্চ, শিশু পার্ক ও খোলা মাঠ। সন্ধ্যার পর রঙিন আলোকসজ্জা পুরো এলাকাকে দৃষ্টিনন্দন রূপ দেয়। রেস্টুরেন্টের সামনে থাকা পানির ফোয়ারা দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। যাতায়াতের ক্ষেত্রে শহরের যেকোনো স্থান থেকে রিকশা, অটোরিকশা, ইজিবাইক বা মোটরসাইকেলযোগে সহজেই পৌঁছানো যায়। মনোরম পরিবেশ, মানসম্মত খাবার ও নান্দনিক সাজসজ্জার কারণে প্রতিদিন অসংখ্য দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখর থাকে এই স্থান।
দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা বলেন, ইতোমধ্যে উপজেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলোর সংস্কার কাজ শেষ করা হয়েছে। ঈদ উপলক্ষ্যে আগত পর্যটকরা যেন নির্বিঘ্নে ঘোরাফেরা করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের বন কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, সুন্দরবন এ আগত পর্যটকদের সঙ্গে বন বিভাগের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়। এছাড়া কলাগাছি পয়েন্টে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন থাকে।
নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, রমজান মাসে পর্যটক উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও ঈদকে ঘিরে দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে সুন্দরবনের দূরবর্তী পয়েন্টগুলোতে তুলনামূলকভাবে পর্যটক কম যান।
ট্যুরিস্ট পুলিশ সাতক্ষীরা জোনের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শেখ মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ঈদকে সামনে রেখে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঈদের সময় ২৪ ঘণ্টা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করে থাকে। পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সকল সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।
আরএআর